bishwambarpur লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
bishwambarpur লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৯

সলুকাবাদ ইউনিয়নের গ্রাম আদালত পরিদর্শন

সলুকাবাদ ইউনিয়নের গ্রাম আদালত পরিদর্শন

অদ্য ০৬-০৩-২০১৯ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়, ইউএনডিপি, এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় ব্লাস্ট কর্তৃক বাস্তবায়ীত গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প এর আওতায় সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নের গ্রাম আদালত কাযর্ক্রম ইউপি চেয়াম্যান ও গ্রাম আদালত সহকারীর উপস্থিতিতে পরিদর্শন করেন সমাজেসবা কর্মকর্তা জনাব মোঃ গিয়াস উদ্দিন, বিশ্বম্ভরপুর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের উপজেল সমন্বয়কারী মোঃ ফজলুল করিম,ইউপি সচিব টিটু রঞ্জন দাস, ১নং সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য মোছাঃ মনোয়ারা।
পরিদর্শনকালে নথি পত্র, রেজিস্টার সমূহ পর্যবেক্ষন করেন ও কার্যক্রম সন্তুসজনক প্রকাশ করেন।
গ্রাম আদালতে সাধারণ মানুষ সঠিক বিচার পাচ্ছে। এ আদালত চলমান থাকলে উচ্চ আদালতে মামলার জট কমে যাবে। সুবিধা বঞ্চিত মানুষ আল্প সময় সল্প খরচে সঠিক বিচার পাবে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাৎ কালে এ কথা বলেন।

রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৭

সুনামগঞ্জের সীমান্তে বিজিবি কর্তৃক পৃথক অভিযানে  ভারতীয় গরু ও কয়লা আটক

সুনামগঞ্জের সীমান্তে বিজিবি কর্তৃক পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও কয়লা আটক

এম এ মোতালিব ভুঁইয়া: ২৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন, সুনামগঞ্জ কর্তৃক পৃথক ০৪টি অভিযান পরিচালনা করে ১,১৪,৭০০/- টাকা মূল্যের ১,৯০০ কেজি কয়লা এবং ০৩টি গরু আটক। ১। লাউরগড় বিওপি হাবিলদার মোঃ ফিরোজ খাঁন এর নেতৃত্বে একটি টহল দল ০৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখ ১৯০০ ঘটিকায় সীমান্ত পিলার ১২০৩/১-এস এর নিকট হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যাদুকাটা নদী হতে ১,৯০০ কেজি ভারতীয় কয়লা আটক করে, যার মূল্য ২৪,৭০০/- টাকা (ছবি সংযুক্ত)। ২। বনগাঁও বিওপি হাবিলদার মোঃ আঃ হালিম এর নেতৃত্বে একটি টহল দল ০৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখ ১৮০০ ঘটিকায় সীমান্ত মেইন পিলার ১২১৬ এর নিকট হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইসলামপুর নামক স্থান হতে ০১টি ভারতীয় গরু আটক করে, যার আনুমানিক মূল্য ৩৫,০০০/- টাকা (ছবি সংযুক্ত)। ৩। আশাউড়া বিওপি হাবিলদার মোঃ আজাহার আলী মঞ্জু এর নেতৃত্বে একটি টহল দল ০৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখ ২০৩০ ঘটিকায় সীমান্ত পিলার ১২২২/১৫-এস এর নিকট হতে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আশাউড়া নামক স্থান হতে ০১টি ভারতীয় গরু আটক করে, যার আনুমানিক মূল্য ৩০,০০০/- টাকা (ছবি সংযুক্ত)। ৪। চাঁনপুর বিওপি নায়েব সুবেদার মোঃ মানিক মিয়া এর নেতৃত্বে একটি টহল দল ০৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখ ১৪০০ ঘটিকায় সীমান্ত পিলার ১২০২/১০-এস এর নিকট হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বারেকটিলা নামক স্থান হতে ০১টি ভারতীয় গরু আটক করে, যার আনুমানিক মূল্য ২৫,০০০/- টাকা (ছবি সংযুক্ত)। বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা উক্ত ভারতীয় কয়লা এবং গরু ফেলে পালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে বিজিবি সদস্যগণ পরিত্যক্ত/মালিকবিহীন অবস্থায় বর্ণিত কয়লা এবং গরু আটক করে। সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল নাসির উদ্দিন আহমদ পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানি রোধে বিজিবি সব সময় তৎপর রয়েছে। গরু ও কয়লা পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে

বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৭

সলুকাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম আদালত সক্রিয় করনে সচেতন মূলক ভিডিও শো প্রদর্শন

সলুকাবাদ ইউনিয়নে গ্রাম আদালত সক্রিয় করনে সচেতন মূলক ভিডিও শো প্রদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার:
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ভাদেরটেক বাজারে “বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় র্পযায়)” প্রকল্প পুরোপুরি বাস্থবায়নের লক্ষে আজ সন্ধ্যায় ৬:৩০ মিনিটে একটি গ্রাম আদালত সচেতন মূলক ভিডিও শো প্রর্দশন করা হয়েছে। উক্ত ভিডিও প্রর্দশেনে সভাপতিত্ত করেন মোঃ রওশন আলী, চেয়ারম্যান, সলুকাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, এতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফজলুল করিম,উপজেলা সমন্বয়কারী, বিশ্বম্ভরপুর,গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ(২য় র্পযায়) প্রকল্প, ইউপি সদস্য মোঃ শাহ-পরান ১নং ওর্য়াড,মোঃ হাবিবুর রহমান ২নং ওর্য়াড,মোছাঃ মনোয়ারা খাতুন, ইউপি সদস্য সংরক্ষিত-১ আসন, আর উপস্থিত র্ছিলেন স্থানীয় এলাকার গন্যমাণ্য ব্যক্তির্বগ সহ অত্র এলাকার জনসাধারণ।ভিডিও শো টি পরচিালনা করনে মোঃ শফকিুল ইসলাম, গ্রাম আদালত সহকরী।
ভিডিও শো টি সমাপ্ত হওয়ার পর, মোঃ আবুল কালাম (৩৪) তার সাথে কথা বললে সে বলেন “আমি আগে গ্রাম আদালত সর্ম্পকে জানতাম না। এখন আমি গ্রাম আদালত সর্ম্পকে অনেক কিছু জানতে পেরেছি’’
উইপি চেয়‍ারম্যানের সাথে কথা বললে, জানা যায় তিনি বলেন: এখন থেকে এলাকার মানুষ আগরে তুলনা অনকে বেশি গ্রাম আদালত র্সম্পকে জানতে পরেছে।আর বলনে যদি ইউনিয়নেরে প্রতিটি গ্রাম র্পযায় গ্রাম আদালত ভডিওি শো জণগনকে দেখানো যায় তা হলে গ্রাম আদালত টি পুরোপুরি বাস্থবায়ন হব।

শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

সলুকাবাদ ইউনিয়ন শাখাঁর নব গঠিত আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কর্মীদের পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা।

সলুকাবাদ ইউনিয়ন শাখাঁর নব গঠিত আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কর্মীদের পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা।

মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিদি)
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়ন শাখাঁর বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা গত ২০ অক্টোবর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত উপজেলা কমিটির আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হামিদ (স্বপন) ও কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল হামিদ (স্বপন) সলুকাবাদ ইউনিয়ন শাখাঁর সকল আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কর্মীদের কে উদেশ্য করে বলেন, আওয়ামী লীগ এর মনোনীত ব্যক্তি উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের কান্ডারী আলহাজ্ব মতিউর রহমান কে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়যুক্ত করার মধ্যদিয়ে গনতন্ত্রের মানস কন্যা রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে অব্যহত রাকার জন্য আমরা সরকারের পক্ষে কাজ করে যাব। সলুকাবাদ ইউনিয়ন শাখাঁর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা সলুকাবাদ ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম (মাস্টার) তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, উন্নয়নমুলক শক্তিশালী সরকার গঠন করার মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা কে অব্যহত রাকার জন্য সকল নেতা কর্মিদের কে তাদের শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করে যেতে হবে এ কথা বলেন। সলুকাবাদ ইউনিয়ন শাখার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে কমিটির নেতা কর্মিরাও বক্তব্য পেশ করেন। উক্ত পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, সলুকাবাদ ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ আঃ কাদির, সহ সভাপতি মোঃ আঃ রাজ্জাক, সহ সভাপতি মোঃ ফয়জুর রহমান, সহ সভাপতি মোঃ ইরফান আলী, সহ সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গিও আলম. সহ সভাপতি মোঃ বাদশা মিয়া, সহ সভাপতি সেলিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহিবুর রহমান মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ মোঃ আঃ রাশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ মোঃ আঃ ছাত্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ মোঃ শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফখরুল ইসলাম দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হারিছ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তাজু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবু কালাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ হাসান আলী, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চাঁন মিয়া, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদ মোঃ নবী হোসেন, কোষাদক্ষ্য মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহ কোষাদক্ষ্য মোঃ মুক্তার হোসেন, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হোসেন আলী, সহ দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল মুতালিব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মোছাঃ রহিমা খাতুন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মোছাঃ আমেনা খাতুন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দ্বীন ইসলাম, সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হুসেন আলী, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আঃ বারেক, পরিবেশ ও বন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তৈাফিক উল্লাহ, পরিবেশ ও বন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আঃ হাসিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আমির হোসেন, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সোহেল মিয়া, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মুস্তাকিন মিয়া, সহ তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোহাগ মিয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মতিউর রহমান, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোহেল আহমদ, সাংবাদিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শহিদ মিয়া, সহ সাংবাদিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হালিম মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ দুলাল মিয়া, সহ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক তৈয়ব আলী, সম্মানীত সদস্য শাহীন আলম, সম্মানীত সদস্য মনির হোসেন, সম্মানীত সদস্য মোঃ রহমত আলী, সম্মানীত সদস্য রতন মিয়া, সম্মানীত সদস্য আঃ ছোবহান প্রমুখ উপস্থিত  ছিলেন।

বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

বাঘবেড় বাজারে গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতন মূলক ভিডিও শো প্রদর্শন

বাঘবেড় বাজারে গ্রাম আদালত বিষয়ক সচেতন মূলক ভিডিও শো প্রদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদন :
বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি’র অর্থায়নে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) সহযোগিতায় বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (পর্যায় ২য়) প্রকল্পের সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর  উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নে আজ বুধবার সন্ধা ৬:০০ ঘটিকায় গ্রাম আদালত বিষয়ক  ভিডিও শো প্রদর্শন করা হয়। উক্ত ভিডিও শো  প্রদর্শনে উপস্থিত ছিলেন সলুকাবাদ ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম । আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ ওয়ালি উল্লাহ,সকল ইউপি সদস্য বৃন্দ,উদ্যোগতা মোঃ রফিকুল ইসলাম,সুনামগঞ্জের আলোর সম্পাদক মোহাম্মদ নূর আলম, এলাকার সর্ব স্থরের লোক ও গ্রাম আদালত সহকারী মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

বিশ্বম্ভরপুরে দালাল মোবারকের জিম্মায় একটি পরিবার।

বিশ্বম্ভরপুরে দালাল মোবারকের জিম্মায় একটি পরিবার।

মোঃ আজিজুল ইসলাম-মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)
পুরনো শত্রুতার জের ধরে মানুষ কত কিছুইনা করতে পারে, আর এ শাস্থিও পেতে হয়। এমনটাই হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোলগাঁও গ্রামের শাহেদ আলীর বাড়িতে একটি পুরনো শত্রুতার জের ধরে তার ছেলে  দশম শ্রেনীর ছাত্র নুর আলম (১৬) কে জীবন অন্ধকারে ডেকে দিতে ছেয়েছিল সলুকাবাদ ইউনিয়নের মথুরকান্দি গ্রামের জামাত নেতা দালাল মোবারক। সে গোলগাঁও গ্রামের দশম শ্রেনীর পড়–য়া ছাত্রী ফুলেছা কে কৌশলে ছেলের নানার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে নুর আলম কে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল দালাল মোবারক।  ছেলে মেয়ে উভয় পক্ষের নিশ্চিত একটি স্বপ্ন বাস্তবে জনাঞ্জলির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে ছিল দালাল মোবারক। সরেজমিনে জানাযায় ঐ দালাল মোবারক টাকার বিনিময়ে এইধরনে একটি জঘন্য ষড়যন্ত  করে। নুর আলমের বাবার কাছে দালাল মোবারক একলক্ষ টাকা দাবি করে এবং বলে দেয় টাকা দিলে এই ঘটনার অবসান হবে। ছেলে পক্ষ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় দালাল মোবারক ছেলের বাবাকে অনেক হুমাক দমকি দেয়। ঘটনাস্থলে মেয়ের পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, ঐ দালাল সাংবাদিককে মোবাইল ফোনে হুমকি দেয়। সাংবাদিক জিজ্ঞাসাবাদ করে আসার সময় রাস্তায় সাংবাদিকের মোটর সাইকেল আটক করার চেষ্টা করে, এবং এবং মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে চাবি ফেরত দেয়, কিন্তু একটি শর্তবেধে দেয় যে, সংবাদ পত্রে যেন সটিক তথ্য না আসে। সাংবাদিক কোন কথা আমলে না নিয়ে, সেখান থেকে চলে আসতে চাইলে সে অনেক প্রকার হুমকি দমকি দিতে থাকে। পরে মোবারক মোবাইল ফোনে (০১৭৯০০৬৫২২৪)।  হুমকি দিয়ে বলে তোমাকে যা বলি শুন, তুমি এই ধরনের কোন নিউজ না করতে নিষেধ করতেছি। এর পরে মোবারক সাংবাদিকের অফিসে এসে অনেক উত্তেজিত ভাবে সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়। একলক্ষ টাকার বিয়ষটি মোবারকের কাছে জানতে চাইলে সে কোন কথা না বলে চলে যায়। অন্যদিকে ধনপুর ইউনিয়রের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান এই পুর বিষটি এখনো আমি পুরোপুরি ভাবে জানিনা, শুধু মেয়ের পক্ষ থেকে কিছু জানা হয়েছে। চেয়ারম্যান আরও জানান যে মথুরকান্দির জামাত নেতা মোবারকের সাজানো নাটক।শুধু মেয়ের পক্ষ থেকে কিছু জানা হয়েছে। চেয়ারম্যান আরও জানান যে মথুরকান্দির জামাত নেতা মোবারকের সাজানো নাটক।

শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৭

সলুকাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম

সলুকাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম

মোঃ আজিজুল ইসলাম (বিশেষ প্রতিনিধি)
পরম করুণাময় আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন মানুষ যাকে সম্মান করে আমিও তাকে সম্মানের আসনে প্রতিষ্টিত করি। যেমন সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ জাকিরুল ইসলাম, তিনি গত ১১-১০-২০১৭ ইং হইতে ২০-১০-২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত  সলুকাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম বলেন, রওশন আলী চেয়ারম্যান ছুটিতে থাকার কারণে আমাকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়। আমি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানায়। এবং সলুকাবাদ ইউনিয়ন বাসির সর্বস্থর জনগনের কাছে দোয়া কামনা করি।

রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৭

রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষকের আবারও দুর্নীতি।

রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষকের আবারও দুর্নীতি।

মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন একের পর এক দুর্নীতি করে আসছে। অল্প সময়ে অধিক ধনসম্পদের মালিক  হওয়ার জন্য রতারগাঁও স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সরকারি  জায়গা থেকে নিজের প্রভাব দেখিয়ে গাছ নিধনে উঠেপড়ে লেগেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় বাজারে সরকারি জায়গার উপর বিশাল বড় একটি রেন্টি গাছঁ । ঐ গাছটি প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক অনেক দিন কাঠার জন্য আসলে, বাজার কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন অনেক বার নিষেধ করেন। কিন্তু বাজার কমিটির সভাপতির কথার কোন তুয়াক্কা না করে গাছটির প্রধান শাখা  কেঠে ফেঁলেন। পরে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে নাছির উদ্দিন, বাদল মিয়া, শাহজাহান, নাজিম মিয়া সহ অনেকে  নিষেধ করলে তার পড়েও গাছঁ কাঠা বন্ধ করেন না। পরে পলাশ ভ’মি অফিস সহকারী  মোহাম্মদ আলী  আসার পরে গাছ কাঠা বন্ধ করেন। এ সময় প্রধান শিক্ষক নিজেকে নির্ধোষ প্রমান করার জন্য তাহার নিজের গাছঁ বলে দাবি করেন। স্থানীয় সুত্রে জানা  যায় দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন  তাহার নিজ বাড়ি মেরামত করার জন্য গাছঁটি কাঠতে চান। ঐ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক , শুধু গাছ কাঠা নয় স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে যে হারে দুর্নীতি করেছে সম্ভবত আমাদের জানা মত পৃথিবীর আর কোন শিক্ষক এ রকম দুর্নীতি করে নাই। এখন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক সরকারি জায়গা থেকে গাছঁ কাঠার জন্য ঊপচে পরে লেগেছে। আমরা ঐ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চায়। বাজার কমিটির সভাপতি জনাব নাছির উদ্দিন জানান আমাদের এলাকার প্রধান শিক্ষক একজন লোভী  মানুষ। সে বাজারে সরকরি জায়গার উপর যে গাছটি রয়েছে ঐ গাছটি কাটার জন্য অনেকবার   এসেছে। এবং শেষ পর্যন্ত গাছের প্রধান শাখাটিও কেঠে ফেলেছে।  এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন জানান এ গাছটি আমি নিজে লাগিয়েছি, এবং আমি গাছটি কাঠিনায়।

রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৭

বিশ্বম্ভরপুরে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল হুজুর ফুঁ দিলেই (২২০০) টাকা

বিশ্বম্ভরপুরে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল হুজুর ফুঁ দিলেই (২২০০) টাকা

আজিজুল ইসলাম বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি:
আসুন ভাই ফুঁ নিন তার বিনিময়ে (২২০০) টাকা দিয়ে যান, কিন্তু কেন ফুঁ নেবেন কারণ আপনাকে যদি জ্বীন বা সয়তানে ধরে তাহলে ফুঁ নিতে পারেন, আপনার সাথে যদি কোন জ্বীন থাকে তাহলে অবশ্যই জ্বীন ছলে  যাবে, একেবারেই গ্যারান্টি। আরো সেবা হলো, কারো ঘরের মাঠির নিচে যদি কোন তাবিজ থাকে। তাহলে এই গুলো জ্বীনের মাধ্যমে উঠানো হয়, এমনটাই হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের, আনন্দ বাজার মসজিদের ইমাম সে দীর্ঘদিন যাবত ভন্ড কবিরাজী করে আসছে, ভন্ড কবিরাজ ইসমাইলের কান্ড গুলো। বহুদিন যাবত ভন্ড কবিরাজ করে আসছে। কিন্তু সরকারের কর ফাঁকি দিয়ে চলছেই ভন্ড কবিরাজী। সে সরকারি লাইসেন্স ছারাই বহুদিন যাবত মানুষকে বোকাঁ বানিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায় তার কাছে কেউ যদি বিপদে পরে কোন পরামর্শর জন্য যাওয়া হয়। ভন্ড কবিরাজ বলেন, আপনার রোগীর উপর জ্বীন ভর করছে, তখন মানুষ গুলো আতংক হয়ে পরেন, হুজুর এখন কি উপাই আপনি কি পারবেন, ভন্ড কবিরাজ বলেন আমিতোএই কাজ গুলো করিনা, আচ্ছা আপনি যেহেতু বলছেন তো আরকি করা আমি যাব তবে আমাকে (২২০০) টাকা দিতে হবে। কিন্তু আমার একটা শর্ত আছে কাউকে কিছু বলা যাবেনা। তার পর আমি যাব রাত (১০-১১) ঘঠিকার সময় আমি যাব রোগীর ঘরে যেন কোন মানুষ না থাকে। রোগীর ঘরে মানুষ না থাকার কারণ হল যদি কেউ তার ভন্ডামী ধরে ফেলে। পরে আর কোথাও কোন ভন্ডামী করতে পারবেনা। সরেজমিনে দেখাযায় একই উপজেলার সলুকাবাদ ইউপির আক্তাপাড়া গ্রামের মৃত আজিম উদ্দীনের বাড়িতে ভন্ড কবিরাজী করে গেছেন। তার বাস্তব প্রমাণ হলো আজিম উদ্দীনের স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন সেখানে গিয়ে বলেন, রোগীর বিরাট সমস্যা রোগীকে জ্বীনে ধরেছে জ্বীন সরাতে হবে পরে রোগী ভাল হবে, এবং আমাকে (২২০০) টাকা দিতে হবে পরে সবাই রাজি হলে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল অনেক খুশি হয়েছেন রোজগার এর দরজা খোলে গেল। পরে ঐ ভন্ড কবিরাজ পানি পরা দিয়ে চলে যায় এবং বলেন জ্বীন সরানো আজকে সম্ভব না আগামীকাল তাবিজ উঠানো হবে। তখন রোগীর বাড়ির লোকজন এর কাছ থেকে অগ্রিম (১২০০) টাকা নিয়ে আসেন, পরের দিন এসে ভন্ডামী করে আরো (৮০০) টাকা নিয়ে চলে যান । কবিরাজ ইসমাইল জানান, আমি আক্তাপাড়া থেকে কোন টাকা নেয়নি আমাকে গাড়ি ভাড়া বাবত (৩০০) টাকা দিয়েছে কিন্তু রোগীর বাড়ির একজন নাম বলতে অনিচ্ছুক তিনি জানান সর্বমোট আমরা (২০০০) টাকা দিয়েছি

শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

সলুকাবাদ ইউনিয়ন বাসীর উদ্যোগে মায়ানমার মুসলমানদেও জন্য ত্রাণ সংগ্রহ

সলুকাবাদ ইউনিয়ন বাসীর উদ্যোগে মায়ানমার মুসলমানদেও জন্য ত্রাণ সংগ্রহ

আজিজুল ইসলাম বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
পবিত্র হাদিসে গ্রন্থে রাসুল (সঃ) বলেন। এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই-ভাই, এমন টাই ঘটেছে এখন সারা বিশ্বের মুসলমানদের মাঝে। তারই মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নের (৫নং) ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ জাকির হুসেনের উদ্দোগে। অন্য বস্ত্র বাসস্থাহীন মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য। সলুকাবাদ ইউনিয়ন বাসির কাছ থেকে (১০৪০০০) টাকা উটিয়েছেন। তারই মধ্য থেকে। দুই জন প্রতিনিধির মাধ্যমে কক্সবাজার উকিয়া থানায় নিয়ে গত (২৪-০৯-২০১৭) তারিখে রোহিঙ্গা মুসলমানদেও মাঝে বিতরন করেন। এবং তারা বিতরনের পর রোহিঙ্গাদের সাথে মত-বিনিময় করেন এতে বুজতে পারেন যে এখনো তাদের পুরোপুরি ভাবে তারা ত্রাণ পাচ্ছেন না, ও অনেক কষ্ঠে তারা দিন যাপন করছেন। এই দুইজন প্রতিনিধি হলেন ১ ডাঃ নজরুল ইসলাম ২ উমর ফারুক। তারা (২৮-০৯-২০১৭) তারিখে ফিরে আসেন এবং বিশ্বের মুসলিম সহ রোহিঙ্গা মুসলমান যতাত্র মুসলমানদের হেফাজতের জন্য মোনাজাত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। ওয়ার্ড মেম্বার জাকির হুসেন বলেন মুসলমানদের জন্য যা যা করার প্রয়োজনে আমরা তাই করব

সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বিশ্বম্ভরপুরে প্রতারক ভন্ড কবিরাজ ইসমাহিলের গ্যারাকলে অসহায় মানুষ।

বিশ্বম্ভরপুরে প্রতারক ভন্ড কবিরাজ ইসমাহিলের গ্যারাকলে অসহায় মানুষ।

আজিজুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন ধনপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার মসজিদের ঈমাম, ইসমাইল সে ধীর্ঘ দিন যাবৎ ভন্ড কবিরাজি করে আসছে। এক পর্যায় তার প্রমান পাওয়া গেছে, আক্তাপাড়া গ্রামে কবিরাজি করতে গেলে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল বলেন, এই ঘরের চার কোনায় তাবিজ রয়েছে সেই গুলো জী¡নের মাধ্যমে উঠাতে হবে। তখন যারা ছিলেন সবাই বললেন উঠানোর জন্য, তখন ঐ ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল বাটি ছালনার একটি কৌশল করেন। ঐ কৌশলে মানুষের ছোখে ফাঁকি দিয়ে একটি তাবিজ তুলেদেন। সে আরো কৌশলে বলেন বাকি তাবিজ গুলো আজকে উটানো সম্ভব হবেনা আগামীকাল জ্বীন ঢেকে তাবিজ উঠানো হবে। এবং আমাকে (২২০০) টাকা দিতে হবে রোগীর বাড়ির মানুষ সহ সবাই রাজী হয়েছিল এবং (১২০০) টাকা অগ্রীম দিয়েছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষকে সহজেই বুজিয়ে চলে যায়। পরের দিন ঐ ভন্ড কবিরাজ আসতে রাজী হয়নি, অনেকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে দশ মিনিটের মধ্যে আসছি বলে এইরকম প্রতারনা করেন রাত প্রাই (১২) ঘটিকার সময় পর্যন্ত, অপেক্ষা করেন রোগীর বাড়ির মানুষরা। ভন্ড কবিরাজ না আসায় অবশেষে রোগীর বাড়ি থেকে দুইজন মানুষ যাওয়া হয়, ভন্ড কবিরজের মসজিদে, সেখানে গিয়ে অনুরোধ করলে, টাকার বিনিময়ে আসতে রাজি হন ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল। ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল বলেন। তুলারাশি ছাড়া তাবিজ উঠানো সম্ভবনা,পরে সে আরো,টাকার লোভে রোগীর উপর জ্বীন ভর করেছিল। কিন্তূ মুলত জ্বীন ছিলনা তার বাস্তব প্রমাণ প্রতারক কবিরাজ সে নিজেই রোগীর হাতে তাবিজ তুলে দেন। প্রাণের বাংলাদেশের সরেজমিনে দেখা যায়। যে পুরো বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মানুষ প্রতারনার শিকার হয়েছেন। ঐ ভুক্তভোগিরা বলেন আমাদের কাছ থেকে কবিরাজির জন্য অনেক টাকা নিয়েছে ইসমাইল হুজুর। মূলত কোন উপকার পেলাম না। কবিরাজ ইসমাইল বলেন,আক্তাপারা গ্রামের এই কাজ আমি করেছি, কিন্ত টাকা নেয়নি। তিনি (২২০০) টাকার কথা এরিয়ে যান। বলেন আমি কবিরাজি করার পরে শুধু গাড়ি ভাড়া বাবত তিনশত টাকা দিয়েছে। রোগীর বাড়ির লোকরা
আবারও নৌকার মাঝিঁ হতে চাঁন সাবেক সংসদ সদস্য মতিবুর রহমান।

আবারও নৌকার মাঝিঁ হতে চাঁন সাবেক সংসদ সদস্য মতিবুর রহমান।

আজিজুল ইসলাম (বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)
 সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় বাজারে আয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন এ সময় মতিবুর রহমান বলেন শেখ হাসিনা সরকার এদেশের উন্নয়নে যে, অবদান রেখেছে আর কোন সরকার এতো উন্নয়ন করতে পারেনি। আগামীতে দেশের উন্নয়নের জন্য আবার নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতাদের একজন। সলুকাবাদ ইউপি বাঘবেড় বাজারে স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার বিকেলে বাঘবেড় ইউপি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামলীগের সভাপতি মতিউর রহমান, তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন আজকে আওয়ামীলীগে এসে যারা ক্ষমতা দখল করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে। আওয়ামীলীগে  কোন দ্বিধা দ্বন্ধ নাই, যারা দলে এসে উস্কানী দিতে চায়, দ্বিধা দ্বন্ধ সৃষ্টি করতে চায় এরা জাতীয় পার্টি এলে জাতীয়পার্টিতে, আ’লীগের সময় আ’লীগে, বিএনপির সময় বিএনপিতে যায়,  আওয়ামীলীগে ঐক্য থাকতে হবে। এরপর তিনি স্বেচ্ছাসেবকলীগের ইউপি অফিস উদ্বোধন করেন। সম্মেলন উদ্বোধন করেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মোশারফ হোসেন বাবলু, সভায় সভাপতিত্ব করেন সলুকাবাদ ইউপি স্বেচ্ছাসেবকলীগ আহবায়ক মোহাম্মদ আব্দুল হালিম মাস্টার, যুগ্ন আহবায়ক মহিবুর রহমান মানিকের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বেনজির আহমদ মানিক, সুনামগঞ্জ জেলা সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি শোয়েব চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক যু্েবর আহমদ অপু, জেলা যুবলীগ নেতা সবুজ কান্তি দাস, ও আরো অনেক নেত্রী বৃন্ধ প্রমুক উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার রাস্তা গুলোর খবর কেউ নিচ্ছে না

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার রাস্তা গুলোর খবর কেউ নিচ্ছে না

সুনামগঞ্জের আলো ডেস্ক:

বিশ্বম্বরপুর উপজেলার যে কয়টি রাস্তা রয়েছে তার মধ্যে সলুকাবাদ ইউ/পির চালবন পয়েন্ট থেকে শুরু করে বাঘবেড় বাজার দিয়ে মতুরকান্দি বাজার পর্যন্ত । রাস্তার বেহাল দশা । যেমন সরু তেমন ঘটে দুর্ঘটনা একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটার র্পও শুরু হয়নি উন্নয়নের কাজ । তারই ধারাবাহিক প্রতিবেদন লেকার র্পও নজর দিচ্ছেনা সরকার । যে কারনে লেখা হচ্ছে এই প্রতিবেদন । যেমন একটি গাড়ি চলাচল করলে আরেক টি গাড়ি চলাচল করা একেবারেই
সম্বব না । তার র্পও চলতে হয় এই ইউ/পির অসহায় মানুষদের । কিন্তু কে নিবে এই সাধারন মানুষের খবর । সাধারন মানুষ বলছে নির্বাচন আসলেই অনেকেই বলে রাস্তা গুলো মেরামত করে দিবে এলাকার উন্নয়ন করবে, কিন্তু নির্বাচন চলে গেলে কেউ রাস্তা গুলোর খবর নেয়না এমন অবিযোগ অনেকেরই আছে। রাস্তা গুলো বিশেষ করে বড় গাড়ি গুলো এসে নষ্ট হচ্ছে । যেমন ছোট টমটম বা সিএনজি চলার মত রাস্তা, আর এখানে চলে বড়বড় গাড়ি যেমন ট্রলি বাস ট্রাক সহ বিভিন্ন প্রকার গাড়ি,  আর এই গাড়ি গুলো কে পাস দিতে হলে নির্ধিষ্ট একটি যায়গায় দাড়িয়ে পাস দিতে হয় । তারর্পও শেষ রক্ষা হয়না উল্টে পরতে হয় রাস্তার বাইরে।

রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

দৈনিক অনলাইন পত্রিকা সুনামগঞ্জের আলোয়, গত ১৩ সেপটেম্বর ও ১৬ সেপটেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে। বিশ্বম্ভরপুরে ভন্ড কবিরাজ  শাহজালালের প্রতারনার শিকার শতাধিক মানুষ ও বিশ্বম্ভরপুরে প্রতারক ভন্ড কবিরাজ শাহজালালের গ্যারাকলে কয় একটি গ্রামের মানুষ। এই সংবাদটি সমপুর্ণ মিত্যা ও বিত্তিহীন। সরেজমিনে দেখা যায় মাওলানা শাহজালাল হুজুর সমপুর্ণ নির্দোষ। ভুল বসত শাহজালাল হুজুরের নাম লেখা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

মায়াযনমারে রোহীঙ্গাদের নির্মম ভাবে হত্যার প্রতিবাদে বিশ্বম্ভরপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মুসল্লীরা

মায়াযনমারে রোহীঙ্গাদের নির্মম ভাবে হত্যার প্রতিবাদে বিশ্বম্ভরপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মুসল্লীরা

আজিজুল ইসলাম বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় রোহীঙ্গাদের নির্মম ভাবে হত্যার প্রতিবাদে। বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মুসল্লীরা,  এসময় বক্তারা বলেন মায়ানমারে রোহীঙ্গা মুসলমানদের উপর নির্মম ভাবে যে হত্যার আচরণ করছে এতে প্রতিটি মুসলমানের প্রতিবাদ করার দরকার। আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন অসহায় রোহীঙ্গা মুসলমানদেরকে সাহায্য করুণ। বক্তারা বলেন আজ বিশ্বের মুসলিম গুমিয়ে না থেকে প্রতিবাদের জন্য এগিয়ে আসুন।

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

 বিশ্বম্ভরপুরে সেতুর অভাবে চারটি উপজেলার ১০ লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ

বিশ্বম্ভরপুরে সেতুর অভাবে চারটি উপজেলার ১০ লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ

সেলিম আহম্মেদ  স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফহেতপুর ইউনিয়নের আবুয়া নদীতে একটি সেতুর অভাবে চারটি উপজেলার ১০ লক্ষ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। নদীতে সেতুর কাজ শুরু হয়েও তা থেমে আছে অজানা কারণে। সেতুটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় জেলা সদরের সাথে সড়কপথে যোগাযোগ করতে গিয়ে বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ধর্মপাশা উপজেলা ও মধ্যনগড় থানার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন।
সেতু না থাকায় জেলা পরিষদ থেকে লিজ নিয়ে নদী পারাপারে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে ইজারাদাররা, নেই কোন ভাড়ার তালিকা, চলছে ইচ্ছামতো ভাড়া নেওয়া। নদী পারাপারে ব্যবহৃত একটি মাত্র ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা। মালামাল ও ছোটখাট যানবাহন পারাপার করতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে সময় ও অর্থ। প্রায়ই ঘটছে নৌদুর্ঘটনা।
সরেজমিনে  ও স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ফতেহপুর-নিয়ামতপুর সড়ক দিয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় যেতে সময় লাগে ৩০-৩৫ মিনিট, দূরত্ব ২৭ কিলোমিটার। সেতুটি নির্মিত না হওয়ায় সারা বছর জেলা সদরের সাথে তাহিরপুর, ধর্মপাশা উপজেলা মধ্যনগড় থানা ও ফতেহপুর ইউনিয়নের লোকজন বাধ্য হয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদর দিয়ে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করছে। জেলার অবহেলিত জামালগঞ্জ উপজেলার বিচ্ছিন্ন ইউনিয়নগুলোর মধ্যে ব্যবসার-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে সাচনা বাজার পরিচিত পাওয়ার সুবাধে প্রতিদিন শত শত লোকজনের পদচারণায় মুখরিত হয় এ নদীটি। এছাড়াও এখানকার অধিকাংশ কৃষক, সবজি চাষি তাদের উৎপাদিত পণ্য বেচাকেনার জন্য নৌকা দিয়ে আসা-যাওয়া করতে গেলে যাতায়াত খরচের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে কষ্টার্জিত কৃষিজাত পণ্য বিক্রি করে লাভের পরিবর্তে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
চারটি উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ এই নদীতে সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেয়নি কোনো ব্যবস্থা। এতে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আবুয়া নদীটির উপর ২০০৮ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সেতু নির্মাণের কাজ শুরুর পর নদীর দুই পাড়ে দুটি পিলার করার পর নদীর মধ্যে অর্ধনির্মিত একটি পিলার পাইলিংয়ের সমস্যা দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এরপর প্রায় ১০ বছর কেটে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে এভাবেই পড়ে আছে সেতুটি।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানান, জেলার পাগলা-জগন্নাথপুর সড়কে সাতটি ও বিশ্বম্ভরপুরের আবুয়া নদীতে একটি সেতুর প্রয়োজনীয় কাগজ তৈরি করে ঢাকা পাঠানো হয়েছে একনেকে অনুমোদন জন্য। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।
ফতেহপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা প্রসূন কান্তি দাশ প্রণয়, বিজিত মিত্র, ও ছাত্রছাত্রীরা জানান, আবুয়া নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগসহ সবক্ষেত্রে সুবিধা হতো। তারা সেতুটি দ্রুত করার দাবি জানান। ‘এ পর্যন্ত তিনজন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন কিন্তু এই নদীর উপর অসমাপ্ত ব্রিজ নির্মাণের জন্য কারো কোনো মাথা ব্যথ্যা নেই। আমাদের হয়েছে যত বিপদ। কাউকে কইতেও পারি না সইতেও পারি না। আমরা এই ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য মানববন্ধন করেছি। এই ব্রিজটি নির্মাণের পূর্বে মাটির পরীক্ষায় ত্রুটি ছিল। খামখেয়ালির জন্য সরকারের কোটি টাকার প্রজেক্ট রসাতলে যাচ্ছে।’
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘এই নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে সারা বছর তাহিরপুর, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা, মধ্যনগড় থানার জনসাধারণ আবুয়া নদী পার হয়ে জেলা সদরের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারবে। প্রসার ঘটবে ব্যবসা-বাণিজ্যেরও।’
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ জানান, এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই কাজ বন্ধ রয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ জনস্বার্থে এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।