Science-and-technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Science-and-technology লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৭

ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয়

ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয়

অবসরে স্মার্টফোনে গেম খেলার পরিণতি এতটা ভয়ানক হতে পারে কদিন আগেও কে ভেবেছিল তা?  কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে তা। সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আতংকের নাম হয়ে দাঁড়ানো ‘ব্লু হোয়েল’ গেম কেড়ে নিয়েছে অনেক তরুণ প্রাণ।
এর পরপরই মানুষ অনুধাবন করছে আপাত সাধারণ অনলাইন ভিত্তিক একটি গেমও কতটা মারাত্মক হতে পারে। আতঙ্কের পুরো নাম ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’। যেখানে একজনকে অতি সহজে বোকা বানিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায় গেমটির এ্যাডমিন। গেমটি খেলতে খেলতে ব্যবহারকারীরা এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ছে যে এক সময় আত্মহত্যা করতেও হৃদয় কাঁপছে না তাদের।
পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে এই গেমটির বিপক্ষে স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের এ গেম খেলা থেকে বিরত রাখার জন্য রীতিমত চিন্তিত হয়ে পড়েছেন সেসব দেশের বিশেষজ্ঞরা।
কী এই ব্লু হোয়েল গেম ?
অনলাইন ভিত্তিক একটি গেম। অনলাইনে একটি কমিউনিটি তৈরি করে চলে এ প্রতিযোগিতা। এতে সর্বমোট ৫০টি ধাপ রয়েছে।
আর ধাপগুলো খেলার জন্য ঐ কমিউনিটির অ্যাডমিন বা পরিচালক খেলতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ দিবে। আর প্রতিযোগী সে চ্যালেঞ্জ পূরণ করে তার ছবি আপলোড করবে। শুরুতে মোটামুটি সহজ এবং কিছুটা চ্যালেঞ্জিং কাজ দেয়া হয়। যেমন: মধ্যরাতে ভূতের সিনেমা দেখা। খুব সকালে ছাদের কিনারা দিয়ে হাঁটা এবং ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা।
তবে ধাপ বাড়ার সাথে সাথে কঠিন ও মারাত্মক সব চ্যালেঞ্জ দেয় পরিচালক। যেগুলো অত্যন্ত ভয়াবহ এবং এ খেলার সর্বশেষ ধাপ হলো আত্মহত্যা করা। অর্থাৎ গেম শেষ করতে হলে প্রতিযোগীকে আত্মহত্যা করতে হবে।
কেন যুবক–যুবতীরা আকৃষ্ট হচ্ছে?
সহজ ও নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এবং সাহস আছে কি না এমন কথায় সাহস দেখাতে গিয়ে দিনকে দিন যুবক-যুবতীরা আকৃষ্ট হচ্ছে এই গেমে। তবে একবার এ খেলায় ঢুকে পড়লে তা থেকে বের হয়ে আসা প্রায় অসম্ভব।
তেমনি জানা যায় গেম থেকে বেঁচে ফিরে আসা ভারতীয় এক যুবকের কাছ থেকে তিনি জানান, ব্লু হোয়েল গেমটা আসলে একটা ভয়ঙ্কর মরণ ফাঁদ। ইচ্ছে থাকলেও যে ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা যায় না। সেই হাতছানিই প্রায় আত্মহত্যার পথে টেনে নিয়ে গিয়েছিল ভারতের পুদুচেরির যুবক ২২ বছর বয়সী আলেকজান্ডারকে। কিন্তু শেষমেশ পুলিশ পুদুচেরির করাইকালে তার বাড়িতে ঢুকে পড়ায় আর আত্মঘাতী হতে পারেনি আলেকজান্ডার।
পুলিশ যখন তাকে বাঁচায়, তখন আলেকজান্ডারের হাতে আঁকা ছিল নীল তিমি। এক পদস্থ পুলিশ কর্তার পাশে বসে আলেকজান্ডার বলেছেন, ‘‘এটা পুরোপুরি মরণ ফাঁদ। ওই গেমে ঢুকে পড়লেই ভয়ে কাঁপতে হবে। অ্যাডভেঞ্চার যাদের খুব ভাল লাগে, তারাও ভয়ে কাঁপতে থাকবেন। আমি সবাইকে বলছি, বড়ই ভয়ঙ্কর গেম ব্লু হোয়েল। কেউ যেন ভুল করেও ওই মরণ ফাঁদে না পড়েন। ’’
খেলার মাঝপথে বাদ দিতে চাইলে প্রতিযোগীকে ব্লাকমেইল করা হয়। এমনকি তার আপনজনদের ক্ষতি করার হুমকিও দেয়া হয়। আর একবার মোবাইলে এই অ্যাপটি ব্যবহারের পর তা আর ডিলিট করা যায় না।
গেমটি ঠিক কোনও অ্যাপ নয়। নয় কোনও গেমও। এটা জাস্ট একটা লিঙ্ক। আর সেটা চালান একজন অ্যাডমিন। ওই গেম খেলতে যিনিই ঢোকেন, তাকে কয়েকটি টাস্ক দেন অ্যাডমিন। প্রত্যেক দিন সেই টাস্কগুলো রাত ২ টার পর শেষ করতে হয়। ওই গেম খেলতে ঢোকার পর কয়েকটা দিন কাটে মোটামুটি স্বাভাবিক ভাবেই। তখন অ্যাডমিন সকলের ব্যক্তিগত পরিচিতি ও ফটোগ্রাফ সংগ্রহ করতে শুরু করেন। তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন অ্যাডমিন।
কোথায় জন্ম এই মরণ খেলার?
ইন্টারনেট বলছে, এই খেলার জন্ম রাশিয়ায়। জন্মদাতা ২২ বছরের তরুণ ফিলিপ বুদেকিন। ২০১৩ সালে রাশিয়ায় প্রথম সূত্রপাত। ২০১৫ সালে প্রথম আত্মহত্যার খবর পাওয়া যায়। তবে এহেন গর্হিত কাজের জন্য নিজেকে অপরাধী না বলে বরং সমাজ সংস্কারক বলে নিজেকে অভিহিত করে বুদেকিন। সে জানায়, এই চ্যালেঞ্জের যারা শিকার তারা এ সমাজে বেঁচে থাকার যোগ্য নয়।
ব্লু হোয়েল গেম এর ৫০ টি ট্যাস্ক থাকে যা আপনাকে সুইসাইড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এই খেলার সমাপ্তি ঘটবে খেলোয়াড়ের মৃত্যু দিয়ে। এ গেম নিয়ে রীতিমতো অবাক রাশিয়া পুলিশ। তদন্তের পর তারা জানায় অন্তত ১৬ জন কিশোরী এ গেমের কারণে আত্মহত্যা করেছে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১৩০ জনের আত্মহত্যার জন্য এ গেম দায়ী। তবে এ গেমের মূল অ্যাডমিন বুদেকিন আটক থাকলেও থেমে নেই তাদের কার্যক্রম। যার ফলে এ গেমের প্রভাব বিরাজমান।
এর থেকে বাঁচতে কি করতে হবে?
১। প্রথমত চাই আপনার সচেতনতা। কেন আপনি অপরের নির্দেশনায় যাকে আপনি কখনও দেখেন নি, যার পরিচয় জানেন না তার কথায় কেন নিজের জীবন অকালে বিলিয়ে দিবেন!
২। এই রকম কোনও লিংক আসলে তাকে এড়িয়ে চলা। সমাজের তরুণ ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মাঝে এই গেমের আদ্যোপান্ত সম্পর্কে বলা।
৩। আপনার সন্তানকে মোবাইলে ও কম্পিউটারে অধিক সময়ে একাকী বসে থাকতে দেখলে, খেয়াল করুন সে কি করছে। সন্তানকে কখনও একাকী বেশি সময় থাকতে না দেয়া এবং এই সব গেমের কুফল সম্পর্কে বলা।
৪। সন্তানদের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মানসিকতা সৃষ্টি করা। যাতে করে তারা বুঝতে পারে আত্মহত্যা করা বা নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করা অনেক বড় পাপের কাজ।
৫। আপনার সন্তান ও পরিবারের অন্য কোন সদস্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কি না সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয় তাকে সঙ্গ দেয়া।
৬। কৌতুহলী মন নিয়ে এই গেমটি খেলার চেষ্টা না করায় ভালো। কৌতুহল থেকে এটি  নেশাতে পরিণত হয়। আর নেশাই হয়তো ডেকে আনতে পারে আপনার মৃত্যু।
অতএব, দয়া করে এই গেমটি কেউ খেলবেন না, কাউকে খেলতেও দেবেন না।
সূত্র-ডিএমপিনিউজ

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

অনলাইনে ঘড়ি কিনলে বিশেষ অফার

অনলাইনে ঘড়ি কিনলে বিশেষ অফার

অনলাইনে ঘড়ি বিক্রির প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ই–কমার্স সাইট টাকশাল। সম্প্রতি অনলাইনে ঘড়ি ক্রেতাদের জন্য বিশেষ অফারের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ কয়েকটি মডেলের ঘড়িতে একটি কিনলে আরেকটি বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ক্যাসিও, জিশক, সোনাটা, ফাস্টট্র্যাক, ওমেগা, রোলেক্স, হাবলট, ট্যাগ হিউয়ার, অ্যাপলের স্মাটওয়াচের মতো ঘড়ি আছে টাকশালে। 
টাকশাল ডটকমের প্রধান নির্বাহী মাহাবুব হাসান বলেন, ঘড়ি বিক্রয়ের অনলাইন ঠিকানা হিসেবে সাড়া পেয়েছে টাকশাল। এই সাইটে শুধু ঘড়ি বিক্রি হয়। পণ্য ডেলিভারির ক্ষেত্রে কোনো খরচ নেই ক্রেতাদের। টাকশালের ঠিকানা (www.takshal.com)। বিজ্ঞপ্তি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে অতি জরুরি এই সুবিধা

হোয়াটসঅ্যাপে আসছে অতি জরুরি এই সুবিধা

স্মার্টফোনে ভুল করে কারও কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো বার্তা চলে গেলে বিব্রত হতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে মানসম্মান নিয়েও টানাটানি পড়ে। আচ্ছা, এমন যদি হতো, ভুল করে পাঠানো সেই বার্তা আপনি চাইলেই ফেরত আনতে পারছেন! মানে, বার্তাটা যে স্মার্টফোনে গেছে, সেটা ওই ফোনের ব্যবহারকারীর অজান্তেই মুছে ফেলতে পারছেন! আর কয়েকটি দিন অপেক্ষার পর এই সুবিধা মিলতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপে।
ফেসবুকের মালিকানাভুক্ত হোয়াটসঅ্যাপ এই মুহূর্তে সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং-অ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতেই। বেশ কিছুদিন ধরেই হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছিল ব্যবহারকারীদের মধ্যে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হলে শুধু চালু করার অপেক্ষা।
অত্যাধুনিক এবং যুগোপযোগী এ সুবিধাটির নাম ‘আনসেন্ড’ ফিচার। তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘গ্যাজেটস নাও’ জানিয়েছে, ফিচারটির এখন পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে। হোয়াটসঅ্যাপ বেটায় কী কী পরিবর্তন এল—তা অনুসরণ করা টুইটার অ্যাকাউন্ট ‘ওয়াবেটাইনফো’র তথ্যমতে, অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে এখন ‘আনসেন্ড’ ফিচারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। ফিচারটি নাকি নির্মাতাদের প্রত্যাশামতোই কাজ করছে, মানে অনাকাঙ্ক্ষিত খুদে বার্তা মুছে দিচ্ছে।
অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা মুছে ফেলার ব্যবস্থা রয়েছে ভাইবার, উইচ্যাট ও টেলিগ্রামের মতো অ্যাপসেও। তবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এ ফিচারে অতিরিক্ত সুবিধাটি হলো, যে বার্তাটি আপনি ফিরিয়ে আনছেন, তা নোটিফিকেশন থেকেও মুছে যাবে এবং গ্রহীতা কোনো কিছুই টের পাবে না। শুধু তা-ই নয়, টেক্সট, জিআইএফ, ভিডিও, ছবি, এমনকি স্ট্যাটাস ফিডব্যাক পর্যন্তও পোস্ট করে তা মুছে ফেলা যাবে।
সম্প্রতি উইন্ডোজ ফোনে ‘আনসেন্ড’ ফিচার দেখা গেছে। ব্যবহারকারী বার্তা পাঠানোর পাঁচ মিনিটের মধ্যে তা মুছে ফেলার সুবিধা আছে এতে। ইউরোপের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে ইউটিউবকেও একীভূত করার পরীক্ষাও করা হচ্ছে। আইওএস বেটা ভার্সনে চালানো এ পরীক্ষা সফল হলে সেই অ্যাপসে থেকেই দেখা যাবে ইউটিউবের নানা ভিডিও। এখন ইউটিউবের কোনো ভিডিওতে ক্লিক করলে আলাদা করে ইউটিউবের অ্যাপ খুলতে হয়। এখন হোয়াটসঅ্যাপে থেকেই ইউটিউবের ভিডিও দেখা যাবে।
তবে তার চেয়েও জরুরি হবে এই আনসেন্ড ফিচার। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, হোয়াটসঅ্যাপের নতুন এ ফিচার ব্যবহারকারীর স্বাধীনতায় উন্মোচন করবে নতুন দিগন্ত। অনিচ্ছাকৃত কোনো বার্তা পাঠিয়ে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হওয়া থেকে যেমন মুক্তি মিলবে, তেমনি থাকলে ভুল শোধরানোর সুযোগও। তবে বার্তা গ্রহীতা অনলাইনে থাকা অবস্থায় তাকে বার্তা দেখা থেকে বিরত করার সুযোগ নেই। গ্রহীতা সেই বার্তাটি পড়ে ফেললেও তা মুছে ফেলা যাবে। সূত্র: গ্যাজেটস নাও।

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ই-সিগারেটও কিন্তু ক্ষতিকর

ই-সিগারেটও কিন্তু ক্ষতিকর

ধূমপানরে বদভ্যাস ত্যাগ করতে অনকেইে বছেে নয়িছেনে ই-সগিারটে। তামাক পোড়ানো গন্ধ থকেে মুক্তি পাওয়ার জন্য বশে জনপ্রয়ি হয়ে উঠছেে এই ই-সগিারটে বা ভইেপার। হৃদ্‌রোগসহ হাজারো শ্বাসনালরি রোগরে উৎস ধূমপান। সগিারটে আসক্তি থকেে মুক্তি দওেয়ার নাম করে কতটা উপকার হচ্ছে শরীররে? সুইডনেরে এক গবষেণা প্রতষ্ঠিান দাবি করছে,ে ই-সগিারটেওে বাড়ছে হৃদ্‌রোগরে ঝুঁক।ি
ভইেপার বা ই-সগিারটেে নকিোটনিবহিীন হতে পার।ে তবে কড়া ধূমপায়ীরা নকিোটনি মাত্রা কময়িে ভইেপ শুরু করনে। ধীরে ধীরে নকিোটনিরে মাত্রা নয়িে আসনে শূন্যরে কোঠায়। ওসব ধোঁয়ায় অনকেইে ভন্নি ভন্নি স্বাদ পছন্দ করনে। বাজারে আপলে, চকলটেসহ নানা স্বাদরে তরল নকিোটনিরে কাটতি আছ।ে
সুইডনেরে ক্যারোলনিস্কি ইনস্টটিউিট দখেয়িছে,ে নকিোটনিযুক্ত ই-সগিারটে সবেনে হৃৎস্পন্দন বড়েে যাওয়া থকেে শুরু করে ধমনি র্পযন্ত অর্কাযকর হতে পার।ে হৃৎপণ্ডিরে প্রধান ধমনগিুলো এর ফলে স্বাভাবকিভাবে শক্ত ও দৃঢ় হয়ে পড়,ে যা সময়রে সঙ্গে ভতেরকার রক্ত চলাচলে বঘ্নি ঘটায়। উচ্চ রক্তচাপরে ঝুঁকরি পাশাপাশি স্ট্রোক ও অন্যান্য হৃদ্‌রোগরে ঝুঁকি বাড়ে প্রায় তনি গুণ।
২০১৬ সালে ১৫ জন সুস্থ স্বচ্ছোসবেকদরে নয়িে একটি পরীক্ষা চালানো হয়। যখোনে এক দনি তাদরে ৩০ মনিটি ধরে নকিোটনিযুক্ত ভইেপার পান করানো হয়। পরদনিরে ৩০ মনিটি ভইেপংি সশেন ছলি নকিোটনিহীন। গড়ে ২৬ বছর বয়সী এই দলরে প্রত্যকেইে ধূমপায়ী, তবে কউেই দনৈকি ১০টি সগিারটে খতেনে না। সশেনরে পরপরই তাঁদরে রক্তচাপ, হৃৎচাপ ও ধমনরি সক্রয়িতা পরীক্ষা করা হয়।
নকিোটনিযুক্ত ভইেপ গ্রহণ করার ফলে সব সময়ই দলটরি রক্তচাপ বড়েছে।ে ধমনরি র্কাযক্ষমতা হ্রাস পয়েছে।ে এ ব্যাপারে প্রতষ্ঠিানরে পক্ষে ম্যাগনাস ল্যান্ডবাক বলনে, ‘নকিোটনিরে জন্যই ধমনতিে অস্বাভাবকি শক্ত হওয়ার প্রবণতা দখো গয়িছে।ে’ ই-সগিারটে এ ক্ষত্রেে সাধারণ সগিারটেরে চয়েওে বশেি ক্ষতি করছ।ে কারণ, ধূমপায়ীরা সগিারটেে যতবার টান দতিনে, তার প্রায় দ্বগিুণ পরমিাণ ধোঁয়া টনেে নচ্ছিনে ভইেপরে মাধ্যম।ে
ধোঁয়ার অভ্যাসটা একবোরে না ছাড়লে কোনোভাবইে আর মুক্তি নইে। ধূমপান তাই পুরোপুরইি ছড়েে দওেয়া ভালো। সূত্র: এএনআই।

সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

অ্যান্ড্রয়েড ৮-এর আকর্ষণীয় ৮ ফিচার নিয়ে বাজারে আসবে

অ্যান্ড্রয়েড ৮-এর আকর্ষণীয় ৮ ফিচার নিয়ে বাজারে আসবে




গুগলের নতুন অপারেটিং সিস্টেম ওরিওতে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু ফিচার।গত মাসেই অ্যান্ড্রয়েড সাম্প্রতিক সংস্করণের (অ্যান্ড্রয়েড ৮.০) আনুষ্ঠানিক নাম ঘোষণা করেছে গুগল। এর নাম ওরিও। চলতি বছরের মে মাসে বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলন আইও ২০১৭ উপলক্ষে এই অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করে গুগল। পিক্সেল ২ ও পিক্সেল এক্সএল ২-এর সঙ্গে এই অপারেটিং সিস্টেম থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ওরিও সংস্করণটির ওটিএ হালনাগাদ পিক্সেল ও নেক্সাস স্মার্টফোনে দিয়েছে গুগল। অ্যান্ড্রয়েডের নতুন এই সংস্করণটিকে অ্যাপলের সর্বশেষ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ১১-এর প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয়। দুটি অপারেটিং সিস্টেমেই বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচার আছে। অ্যান্ড্রয়েড ওরিও সংস্করণটির কয়েকটি আকর্ষণীয় ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন: পিকচার ইন পিকচার মোড: ওরিওতে পিকচার ইন পিকচার মোড নামের ফিচারটি দিয়ে কোনো স্মার্টফোন বা ট্যাবে একই সঙ্গে দুটি কাজ করা যায়। ফিচারটি ব্যবহার করে কোনো ভিডিও কল বা ভিডিও দেখার সময়েও ব্যাকগ্রাউন্ডে একই সময়ে অন্য অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। স্মার্ট টেক্সট সিলেকশন: গুগলের উন্নত মেশিন লার্নিং পদ্ধতি ব্যবহার করায় ওরিওতে টেক্সট নির্বাচনে বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়। টেক্সট নির্বাচন, ঠিকানা, মেইল অ্যাড্রেস, ফোন নম্বর শনাক্ত করার পাশাপাশি এগুলো কাজে লাগানোর বিষয়ে অপশন পাওয়া যাবে।পিন অ্যাপ শর্টকাট: অ্যাপ শর্টকাট পিন করে রাখার সুবিধা এসেছে ওরিওতে। শর্টকাট তৈরিতে নতুন অপশনও এতে এসেছে।নতুন নকশার ইমোজি: গত মে মাসে গুগলের কর্মকর্তারা অ্যান্ড্রয়েড ও’র সঙ্গে নতুন ইমোজির বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। প্রায় দেড় বছর ধরে নতুন ইমোজি নিয়ে কাজ করার পর ব্যবহারবান্ধব ইমোজি সেট ওরিওতে উন্মুক্ত করছে গুগল।নোটিফিকেশন চ্যানেলস: অনেক অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনে বিরক্ত হতে পারেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী। নোটিফিকেশন যাতে সহজে ব্যবস্থাপনা করা যায়, এর সুবিধা আছে ওরিওতে। সব ধরনের অ্যাপ থেকে যাতে নোটিফিকেশন না আসে, সে সুবিধা আছে এতে।পাসওয়ার্ড অটোফিল: ওরিওতে গুগলের পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনার বিশেষ সুবিধা এসেছে। ব্যবহারকারীরা তাঁদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করলে অটোফিল ফ্রেমওয়ার্ক আইডি-পাসওয়ার্ড পূরণ করে দেবে। ডেভেলপারদের ক্ষেত্রে অবশ্য তাদের অ্যাপে অটোফিল এপিআই দিয়ে রাখতে হবে।জায়গা না থাকলেও আপডেট: স্মার্টফোনে জায়গা শেষ হলেও ওটিএ আপডেট পাওয়া যাবে। অর্থাৎ হালনাগাদের সময়েও ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে।এটা ওয়াই-ফাই: ওরিওচালিত স্মার্টফোনে অবস্থানের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াই-ফাইতে যুক্ত হওয়া বা বন্ধ হওয়ার সুবিধা আছে। এতে জিপিএস চালু থাকা প্রয়োজন পড়বে। তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাউ।