tahirpur লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
tahirpur লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৭

সুনামগঞ্জের  সীমান্তে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে এক বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

সুনামগঞ্জের সীমান্তে ভারতে অনুপ্রবেশের দায়ে এক বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

এম এ মোতালিব ভুঁইয়া : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়েরগড় সীমান্তবর্তী ভারতের ঘোমাঘাট এলাকায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে এক বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফ এর সদস্যরা। তার নাম তারভেজ মিয়া(২৮)। সে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়েরগড় গ্রামের মোঃ আব্দুল হান্নানের ছেলে। স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ২টায় লাউড়েরগড় সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ঘোমাঘাট অঞ্চলের এক পাহাড়ি গার মহিলার সাথে প্রেমের সর্ম্পক থাকায় সে বাংলাদেশী বিজিবির চোখ ফাকিঁ দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে আটক করে ।তারভেছ ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীর হাতে আটক রয়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে ২৮ বর্ডারগার্ড বিজিবি’র সুনামগঞ্জ অঞ্চলের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ নাসির উদ্দিন আহমদ পিএসসি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সে ভারতীয় এক নারীর সাথে অবৈধ সর্ম্পক থাকায় অবৈধ পন্থায় অনুপ্রবেশের দায়ে বিএসএস সদস্যরা তাকে আটক করেছে

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পরিচয় গোপন রেখে সুনামগঞ্জের নাগরিক সনদ নিল রোহিঙ্গা পরিবার

পরিচয় গোপন রেখে সুনামগঞ্জের নাগরিক সনদ নিল রোহিঙ্গা পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার ::
মিয়ানমার থেকে পালিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাটে আসা ১২ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিক সনদ ও তিনজনকে জন্মসনদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের তোতা মিয়ার বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
আটককৃত রোহিঙ্গাদের মধ্যে যাদের পরিচয় জানা গেছে তারা হলেন- মিয়ানমারের আকিদাবাদ জেলার মংদু থানার কুয়ান শিবং গ্রামের সাকির আহমদের ছেলে আবদুস সবুর (৫১), স্ত্রী আমিনা বেগম (৪২), ছেলে আবদুল হালিম (২৩), মেয়ে তালিহা আক্তার (১৫), মেয়ে হারিসা আক্তার (১৩), মেয়ে হালিমাতুস সাহিয়া (১১), মেয়ে সাবিহা আক্তার (৯), ছেলে আসলম শাহ (৭), মেয়ে উম্মা বেগম (২), আবদুল হালিমের স্ত্রী উম্মুল খাইরিন (২২) ও মেয়ে মোশারফা (১), হালিমের শ্যালক কাউছার (৭) প্রমুখ।
বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই তপন কুমার দাস জানান, প্রায় ৩ মাস পূর্বে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের গুটিলা গ্রামের তোতা মিয়ার পুত্র আল আমিনের বসত বাড়িতে এই রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিয়েছিল। পুলিশ তাদের হাজির হওয়ার জন্য খবর দিলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তারা স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব সনদসহ পুলিশ ক্যাম্পে হাজির হয়। তখন তাদের আটক করা হয়। তারা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাঁচটি নাগরিক সনদ ও তিনটি জন্মসনদ নিয়েছেন। এসব জন্মসনদ জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গুটিলা গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে আল আমিন চট্টগ্রামের হাটহাজারিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। তার সাথে ওই রোহিঙ্গা পরিবারের মোহাম্মদ ও আহম্মদের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে রোহিঙ্গা পরিবারকে সে নিজ গ্রামে নিয়ে আসে এবং নাগরিকত্ব ও জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করে দেয়। এরপর আল আমিন ওই রোহিঙ্গা পরিবারের দুই সদস্যকে সাথে নিয়ে চট্টগ্রাম ফিরে যায়। গত তিন মাস ধরে ওই রোহিঙ্গা পরিবারের সদস্যরা তাহিরপুরের বিভিন্ন গ্রামে আত্মগোপন করে ছিলেন। সম্প্রতি তারা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা এবং গুটিলা গ্রামে বসত-বাড়ি নির্মাণ করেন।
নাগরিক সনদ ও জন্মসনদ দেওয়ার ব্যাপারে বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন বলেন, আমরা আগে জানতাম না উনারা রোহিঙ্গা। তোতা মিয়ার বাড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানকার ইউপি সদস্য মনির উদ্দিন তাদের কাগজপত্র ঠিকঠাক করে আমার কাছে নিয়ে আসে। আমি তাতে স্বাক্ষর করি। এখানে আমার তো কোনো দোষ নেই।
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান বলেন, আটককৃত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে ফেরত পাঠানো হবে। নাগরিকত্ব ও জন্ম সনদ প্রদানের বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রযোজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে চলে এসেছে। তাদের সবাইকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীর বনভূমিতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এসব রোহিঙ্গা যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়তে না পারে, তার জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সরকার।

সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

তাহিরপুর শিমুল বাগান দেখতে খুব অপরুপ

তাহিরপুর শিমুল বাগান দেখতে খুব অপরুপ

১০০ বিঘার বেশি জায়গা জুড়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে জাদুকাটা নদীর তীরে এই শিমুল ফুলের বাগান। পাশাপাশি আছে লেবু গাছ। বসন্তের দুপুরে পাপড়ি মেলে থাকা শিমুলের রক্তিম আভা মন রাঙায় তো বটেই, ঘুম ভাঙায় সৌখিন হৃদয়ের। এ যেনো কল্পনার রঙে সাজানো এক শিমুলের প্রান্তর। ওপারে ভারতের মেঘালয় পাহাড়, মাঝে যাদুকাটা নদী আর এপাড়ে শিমুল বন। সব মিলে মিশে গড়ে তুলেছে প্রকৃতির এক অনবদ্য কাব্য। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউয়ের গড়। ১৪ বছর আগে ২ হাজার ৪০০ শতক জমিতে শুধুই সৌখিনতার বসে এই শিমুল বাগান গড়ে তোলেন, জয়নাল আবেদীন নামে স্থানীয় এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। বসন্ত এলে যখন একসাথে দুহাজার গাছে ফুলে ফুলে ভরে ওঠে তখন পর্যটকদের নজর না কেড়ে উপায় কি!

কখন যাবেনঃ

শিমুল বনের রক্তরাঙ্গা সৌন্দর্যের দেখা মেলে বছরে একটি মাসে। ফাল্গুনের শুরুতে গেলে গাছে ফুল দেখতে পারবেন।

কিভাবে যাবেনঃ

ঢাকা থেকে শ্যামলী/মামুন/এনা বাস যায় সুনামগঞ্জ ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।
সুনামগঞ্জ নেমে নতুন ব্রীজের ওই পাড়ে মোটরবাইক দাঁড়িয়ে থাকে অনেক। কথা বলে বারেক টিলা নদীর এই পাড় পর্যন্ত ভাড়া নিবে ২০০ টাকা। দামাদামি করে ১৫০ তেও নাকি যাওয়া সম্ভব! একটাতে ২ জন চড়া যায়। জনপ্রতি তাহলে পরল ১০০ করে। জাদুকাটা নদীর সামনে নামিয়ে দিবে। ৫ টাকা দিয়ে খেয়া অতিক্রম করে ওইপাড়ে গেলেই বারেক টিলা, যা থেকে সুন্দর পুরো জাদুকাটা নদী দেখা যায়। বারেক টিলা থেকে নেমে চায়ের দোকান আছে কিছু। তাদের জিজ্ঞেস করলেই ছবির মত সুন্দর এই শিমুল ফুলের বাগান এ যাওয়ার পথ দেখিয়ে দিবে।
এছাড়া কেউ ট্রেনে যেতে চাইলে সিলেট হয়ে যেতে পারেন। ঢাকার কমলাপুর থেকে রাতের ট্রেনে (৯.৫০ এ ছাড়ে ) চলে যেতে পারেন সিলেট। শোভন চেয়ার ভাড়া নিবে ৩২০ টাকা। সিট পেতে হলে অবশ্যই কস্ট করে ২-১ দিন আগে যেয়ে টিকেট কেটে আনতে হবে। অনলাইনেও সম্ভবত কাটা যায়। ভোর বেলা নামিয়ে দিবে সিলেট। সিলেটের কুমারগাও বাসস্ট্যান্ড থেকে উঠে পড়ুন সুনামগঞ্জ গামী বিরতিহীন বাসে। ভাড়া ৯০ টাকা। সময় লাগবে দেড় থেকে ২ ঘন্টা।

কোথায় থাকবেনঃ

বড়ছড়া বাজারে রেস্ট হাউজ আছে ২০০-৪০০ টাকায় থাকা যায়। বারেক টিলা পাড় হয়েই বড়ছড়া বাজার। চাইলে টেকেরঘাট থেকে হেটেও আসতে পারবেন বড়ছড়া বাজারে। এছাড়াও লেকের পাশে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি চুনা পাথরের কারখানা আছে তার গেস্ট হাউজে থাকতে পারবেন যদি খালি থাকে।
১. উপজেলা ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার কৃপেশ দাস: ০১৭২৪৯৬৮১৬১
২. উপজেলা গেস্টহাউজের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব আনিসুল হককে অনুরোধ করতে হবে: ০১৭১৫১৭২২৩৮
এছাড়া সুনামগঞ্জে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকার মধ্যে থাকার জন্যে হোটেল (Hotel) ভাড়া পাবেন।
হোটেল নূর-পূর্ববাজার স্টেশন রোড সুনামগঞ্জ
হোটেল সারপিনিয়া-জগন্নাথবাড়ী রোড, সুনামগঞ্জ।
হোটেল নূরানী, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড , সুনামগঞ্জ।
হোটেল মিজান, পূর্ব বাজার-সুনামগঞ্জ।
হোটেল প্যালেস, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন রোড
সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট

কোথায় খাবেনঃ

বারেক টিলাতে খাবারের হোটেল আছে, এছাড়াও বড়ছড়া বাজারে খেতে পারেন অথবা লেকের পাশেই টেকেরঘাট একটা ছোট বাজার আছে। একটি মাত্র খাবারের হোটেল আছে।