এম এ মোতালিব ভুঁইয়া : দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির অন্যতম নেতা পান্ডারগাও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রাথী ওলিউর রহমান ও সিলেট মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মেধাবী ছাত্রনেতা, দোয়ারাবাজার উপজেলা ছাত্রদলের সম্ভাব্য সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ'র পিতা, শ্রীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, হাজী আইয়ুবুর রহমান মাষ্টার সাহেব'কে দেখতে উসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান, বি এন পি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান(সাবেক), সুনামগঞ্জ-৫ ছাতক-দোয়ারার গনমানুষের নেতা, জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান, উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, ও সুনামগঞ্জ জেলা বি এন পি'র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, জনাব নিজাম উদ্দিন, দোয়ারাবাজার উপজেলা বি এন পি'র আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য জনাব তাইবুর রহমান, পান্ডারগাও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল হালিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ হোসাইন ।সিলেট মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মেধাবী ছাত্রনেতা, দোয়ারাবাজার উপজেলা ছাত্রদলের সম্ভাব্য সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ'র পিতা, শ্রীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, হাজী আইয়ুবুর রহমান মাষ্টার সাহেব'কে দেখতে উসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান, বি এন পি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান(সাবেক), সুনামগঞ্জ-৫ ছাতক-দোয়ারার গনমানুষের নেতা, জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান, উত্তর খুরমা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, ও সুনামগঞ্জ জেলা বি এন পি'র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, জনাব নিজাম উদ্দিন, দোয়ারাবাজার উপজেলা বি এন পি'র আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য জনাব তাইবুর রহমান, পান্ডারগাও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল হালিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ হোসাইন প্রমুখ।
জানা যায়, গত ১৬ ফ্রেব্রুয়ারি বুধবার রাতে খুন হন আনোয়ারা বেগমের স্বামী আব্দুছ সাত্তার (৬০)। পরের দিন সকালে নিহতের বসতবাড়ীর পার্শ্ববর্তী খালে বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে এলাকার লোকজন পুলিশে খবর দেয়। এসময় নিহতের ছোট ভাই আব্দুর রহিম (৪৫), আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (৪০), কালা মিয়ার স্ত্রীসহ সন্দেহভাজন ৫ জনকে আটক করে পুলিশ।
সেই সময় নিহতের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন ‘বুধবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে বিরোধীয়পক্ষ নিহতের আপন ভাই আব্দুর রহিম, কালা মিয়া এবং তার ভাই ভাতিজারা আমার স্বামীকে জমিজমার বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তিনি রাত অবধি ঘরে ফিরেননি। সকালে পার্শ্ববর্তী খালে তার জবাই করা লাশ দেখতে পাই।’
তবে বিরোধীয় পক্ষকে ফাঁসানোর জন্য বৃদ্ধ আব্দুছ সাত্তারকে পরিকল্পিতভাবে রাতের আঁধারে নৃশংসভাবে জবাই
করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন এলাকাবাসী। হত্যাকা-ের সময় জব্দ করা আলামতে নিহতের স্ত্রীর হাতের ছাপ পাওয়ায় আনোয়ারা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মোক্তাদীর হোসেন।
ডিবির ওসি মুক্তাদীর আহমদ বলেন, ‘আনোয়ারা বেগমকে গ্রেফতার করে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়েছি আমরা। হত্যাকা-ে ব্যবহৃত রক্তমাখা দা ও গামছার ডিএনএ পরীক্ষা শেষে আনোয়ারা বেগমকে আটক করা হয়েছে
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জ-দোয়ারাবাজার সড়কের বেহাল অবস্থা। এ সড়কের প্রায় ৭ কিলোমিটারজুড়ে ঢালাই উঠে গেছে, সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্তের। সংস্কার কাজ না হওয়ায় প্রতিদিন সদর, দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার লাখো মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এ সড়কের মেঝে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত থাকায় প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে রড ও পাথর বেরিয়ে পড়েছে। জরুরিভিত্তিতে সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মুহাম্মদপুর পয়েন্ট ব্রিজের আশপাশ এলাকার সড়ক, হাঁস প্রজনন কেন্দ্র হ্যাচারীর পার্শ্ববর্তী সড়কের ডাকুয়াখালি ব্রিজের উভয় পাশের সড়ক, আছপিয়ানগর, বদিপুর, ব্রাহ্মণগাঁও স্কুলের পাশের সড়ক, হাশিমপুর এলাকার সড়ক, মান্নারগাঁও, ধনপুর, জলালপুর, ঢুলপশী, হাজারীগাঁও ও কাটাখালি বাজার এলাকার সড়ক এখন যান চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সড়কের মাঝে রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। বেশিরভাগ স্থানে ঢালাই ভেঙে রড ও পাথর বেরিয়ে পড়েছে। গাড়ি চলাচলের সময় ঝাঁকুনিতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। ধুলোয় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে আশপাশের এলাকা।
এলাকাবাসী জানান, এ সড়কে গাড়িতে চলাচলের সময় বয়স্ক মানুষ, শিশু, রোগী, গর্ভবতী মহিলারা মারাত্মকভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সড়কে চলাচলের সময় হৃদরোগে আক্রান্তদের মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হয়।
প্রতিদিন তিন উপজেলার লোকজন উপজেলা ও জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ রক্ষায় এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। এ ভাঙা সড়ক দিয়ে লেগুনা, সিএনজি, মটরবাইক চলাচল করে থাকে। ভাঙা সড়কে যেমন ভোগান্তি বেড়েছে, তেমনি অতিরিক্ত যাতায়াত খরচ বহন করতে হচ্ছে চলাচলকারীদের।
সড়কে চলাচলকারী সিএনজি’র চালক আতাউর রহমান বলেন, ‘আমি সুনামগঞ্জ শহর থেকে আমবাড়ি-কাটাখালি-ছাতক সড়কে গাড়ি চালাই। ছাতক গিয়ে একবার গাড়ি মেরামত করি। আবার ছাতক থেকে সুনামগঞ্জে ফিরে গাড়ি মেরামত করি। ভাঙা সড়ক মেরামত না করলে কয়েকদিন পর ছোট গাড়ি চালানোও সম্ভব হবে না।’
গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা মহি উদ্দিন বলেন, ‘এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙা থাকায় মানুষ গাড়িতে যাতায়াত করেন ঝুঁকি নিয়ে। প্রতিদিন জরুরি প্রয়োজনে তিন উপজেলার মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। সড়কের ধুলায় মানুষের নানা রোগ হচ্ছে।’
জলালপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমবাড়ি থেকে হাজারীগাঁও পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়কে একজন মানুষ একবার চলাচল করলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা এ সড়কের। জরুরিভিত্তিতে সড়কের সংস্কার প্রয়োজন।’
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি
এম এ মোতালিব ভুঁইয়া : দোয়ারাবাজার উপজেলার টিলাগাঁও রাবারড্যাম প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি লিমিটেড’র নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহণের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আনফর আলী (আনারস), সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আলী আহমদ (চেয়ার) ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন তাইজ উদ্দিন আহমদ (মাছ) এবং সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন জালাল উদ্দিন (মই), আব্দুর রহমান (ডাব)।
তন্মধ্যে সভাপতি পদে আনফর আলী আনারস প্রতিকে ৪৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. ফরিদ মিয়া বাই সাইকেল প্রতিকে পেয়েছেন ৪৮০ ভোট। সহসভাপতি পদে আলী আহমদ চেয়ার প্রতিকে ৫৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদদ্বন্দ্বি হাবীবুর রহমান আম প্রতিকে পেয়েছেন ৪১৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে তাইজ উদ্দিন মাছ প্রতিকে ৪১৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ফয়জুল হক চাকা প্রতিকে পেয়েছেন ৩২৯ ভোট।
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে টানা বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সুরমা,লক্ষ্মীপুর ও বগুলাবাজার তিন ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলেন ১৪ শ’ ৫৭ জন। তন্মধ্যে মোট কাস্ট হয়েছে ৯৮৭ টি। সকাল থেকে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোট কেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দিন ভর বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। নির্বাচনে একাধিক পদে মোট ১১ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন। ভোট গ্রহণের পূর্বেই সংরক্ষিত মহিলা সদস্যার পদ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে সদস্য পদে কোনো প্রার্থী না থাকায় মোট ৫ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তারা হলেন নিরদ চন্দ্র দাস, রাশিদ আলীম, মনির হোসেন, গিয়াস উদ্দিন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা আয়েশা খাতুন। সমিতির নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম বলেন, দলীয় প্রভাবমুক্ত ও অবাদ সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছি।