মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ই-সিগারেটও কিন্তু ক্ষতিকর

ই-সিগারেটও কিন্তু ক্ষতিকর

ধূমপানরে বদভ্যাস ত্যাগ করতে অনকেইে বছেে নয়িছেনে ই-সগিারটে। তামাক পোড়ানো গন্ধ থকেে মুক্তি পাওয়ার জন্য বশে জনপ্রয়ি হয়ে উঠছেে এই ই-সগিারটে বা ভইেপার। হৃদ্‌রোগসহ হাজারো শ্বাসনালরি রোগরে উৎস ধূমপান। সগিারটে আসক্তি থকেে মুক্তি দওেয়ার নাম করে কতটা উপকার হচ্ছে শরীররে? সুইডনেরে এক গবষেণা প্রতষ্ঠিান দাবি করছে,ে ই-সগিারটেওে বাড়ছে হৃদ্‌রোগরে ঝুঁক।ি
ভইেপার বা ই-সগিারটেে নকিোটনিবহিীন হতে পার।ে তবে কড়া ধূমপায়ীরা নকিোটনি মাত্রা কময়িে ভইেপ শুরু করনে। ধীরে ধীরে নকিোটনিরে মাত্রা নয়িে আসনে শূন্যরে কোঠায়। ওসব ধোঁয়ায় অনকেইে ভন্নি ভন্নি স্বাদ পছন্দ করনে। বাজারে আপলে, চকলটেসহ নানা স্বাদরে তরল নকিোটনিরে কাটতি আছ।ে
সুইডনেরে ক্যারোলনিস্কি ইনস্টটিউিট দখেয়িছে,ে নকিোটনিযুক্ত ই-সগিারটে সবেনে হৃৎস্পন্দন বড়েে যাওয়া থকেে শুরু করে ধমনি র্পযন্ত অর্কাযকর হতে পার।ে হৃৎপণ্ডিরে প্রধান ধমনগিুলো এর ফলে স্বাভাবকিভাবে শক্ত ও দৃঢ় হয়ে পড়,ে যা সময়রে সঙ্গে ভতেরকার রক্ত চলাচলে বঘ্নি ঘটায়। উচ্চ রক্তচাপরে ঝুঁকরি পাশাপাশি স্ট্রোক ও অন্যান্য হৃদ্‌রোগরে ঝুঁকি বাড়ে প্রায় তনি গুণ।
২০১৬ সালে ১৫ জন সুস্থ স্বচ্ছোসবেকদরে নয়িে একটি পরীক্ষা চালানো হয়। যখোনে এক দনি তাদরে ৩০ মনিটি ধরে নকিোটনিযুক্ত ভইেপার পান করানো হয়। পরদনিরে ৩০ মনিটি ভইেপংি সশেন ছলি নকিোটনিহীন। গড়ে ২৬ বছর বয়সী এই দলরে প্রত্যকেইে ধূমপায়ী, তবে কউেই দনৈকি ১০টি সগিারটে খতেনে না। সশেনরে পরপরই তাঁদরে রক্তচাপ, হৃৎচাপ ও ধমনরি সক্রয়িতা পরীক্ষা করা হয়।
নকিোটনিযুক্ত ভইেপ গ্রহণ করার ফলে সব সময়ই দলটরি রক্তচাপ বড়েছে।ে ধমনরি র্কাযক্ষমতা হ্রাস পয়েছে।ে এ ব্যাপারে প্রতষ্ঠিানরে পক্ষে ম্যাগনাস ল্যান্ডবাক বলনে, ‘নকিোটনিরে জন্যই ধমনতিে অস্বাভাবকি শক্ত হওয়ার প্রবণতা দখো গয়িছে।ে’ ই-সগিারটে এ ক্ষত্রেে সাধারণ সগিারটেরে চয়েওে বশেি ক্ষতি করছ।ে কারণ, ধূমপায়ীরা সগিারটেে যতবার টান দতিনে, তার প্রায় দ্বগিুণ পরমিাণ ধোঁয়া টনেে নচ্ছিনে ভইেপরে মাধ্যম।ে
ধোঁয়ার অভ্যাসটা একবোরে না ছাড়লে কোনোভাবইে আর মুক্তি নইে। ধূমপান তাই পুরোপুরইি ছড়েে দওেয়া ভালো। সূত্র: এএনআই।
রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক

চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করতে এক জরুরি বৈঠক বসছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে। কাল বুধবার ওই বৈঠক হবে। মানবিক কারণে যুক্তরাজ্য ও সুইডেন বুধবারের এ বৈঠক ডেকেছে।
গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে সহিংসতা শুরু হয়ে এখনো চলছে। রাখাইনে সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান রাখাইন প্রদেশের সহিংসতার ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে সতর্ক করার পরই জরুরি বৈঠকে বসার ঘোষণা দিল সংস্থাটি। এর আগে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ।
ভারতে থাকা প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর হুমকি দেওয়ায় দেশটির কঠোর সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ। গতকাল সোমবার কাউন্সিলের ৩৬তম অধিবেশনে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার জেইদ রাদ আল হুসেইন ভারতের সমালোচনা করেন।
জেইদ রাদ আল হুসেইন রাখাইনে ‘নৃশংস সামরিক অভিযান’ গুটিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের লক্ষ্য করে দেশটির সেনাবাহিনী যে অভিযান পরিচালনা করছে, তা জাতিগত নিধনের শামিল।
এ সতর্কতার পরই বুধবার রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে নিরাপত্তা পরিষদ। তবে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নীরব ভূমিকার কারণে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার শিকার হচ্ছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। শান্তিতে নোবেল পাওয়া এই নেত্রী রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য কেন কিছু করছেন না তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিন

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিন




কক্সবাজারে কুতুপালং শরণার্থীশিবিরে আহত এক রোহিঙ্গা শিশুর সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার তোলা ছবি। ছবি: ফোকাস বাংলারোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ‘স্বজন হারানোর বেদনা আমি বুঝি। ঘরবাড়ি হারিয়ে যেসব রোহিঙ্গা এখানে (বাংলাদেশে) এসেছেন, তাঁরা সাময়িক আশ্রয় পাবেন। তাঁদের মিয়ানমারে ফিরে যেতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা যাতে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে চেষ্টা চলছে।’
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে সংক্ষিপ্ত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা আপনাদের আশ্রয় দিয়েছি। আমরা আপনাদের পাশে থাকব।’ রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিকভাবে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে করে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বেলা সাড়ে ১১টায় পৌঁছান উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গাশিবিরে। বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
কক্সবাজারে কুতুপালং শরণার্থীশিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী । ছবি: ফোকাস বাংলাশেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর গুলিতে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নাফ নদীতে নারী-শিশুর লাশ পাওয়া যাচ্ছে। এই বর্বর হত্যাকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। মানবিক দিক বিবেচনা করেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। উপায় না দেখে এ দেশের মানুষ তখন ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যা করার দরকার, আমরা সেটি করব। আমরা শান্তি চাই।’
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম, মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী প্রমুখ।
কক্সবাজার হিলটপ সার্কিট হাউসে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষ করে আজ বিকেলে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
আজ ১২ সেপ্টেম্বর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভোগে ২০০৯ সালের এইদিনে তিনি সিলেটের নুরজাহান জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। শাহ আবদুল করিমের ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে উজান ধল গ্রামে তাঁর স্ত্রী’র কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম তাঁর গানে জীবন এবং মৃত্যু সম্পর্কে এভাবে বলেন, বাউল আব্দুল করিম বলে / জীবন লীলা সাঙ্গ হলে / শোয়ে থাকব মায়ের কোলে / তাপ-অনুতাপ ভুলে।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। বাউল সম্রাটের একমাত্র পুত্র শাহ নূর জালাল জানান, মঙ্গলবার বাদজোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেলে বাউল সম্রাটের জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি থাকবেন দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুজ্জামান পাভেল। এছাড়া বাদ এশা থেকে ফজর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত করিমভক্তরা করিমগীতির আসর বসাবেন।
ভাটির জনপদ দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল আশ্রম গ্রামে ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শাহ আবদুল করিম জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ইব্রাহীম আলী ও মা নাইওরজান বিবি। জন্মের পর থেকে অভাবের মধ্যেই আবদুল করিম বেড়ে উঠেন। অভাবের কারণে শিক্ষা লাভের সুযোগ আসেনি তাঁর জীবনে। তাই গ্রামের মোড়লের বাড়িতে রাখালের চাকরি নেন। সারাদিন মাঠে গরু চড়াতেন আর গান গাইতেন। এ গানই রাখাল বালককে বাউল সম্রাটে পরিণত করেছে।
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে মওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বৃহত্তর সিলেটে গণসংযোগে আসতেন তখন তাদের সফরসঙ্গী হতেন বাউল আবদুল করিম। শাহ আবদুল করিম ৫৪’র নির্বাচন, ’৬৯-এর গণআন্দোলন, ৭১’এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি পর্যায়ে স্বরচিত গণসংগীত পরিবেশন করে জনতাকে দেশ মাতৃকার টানে উদ্বুদ্ধ করতেন। তাঁর গণসংগীতে মুগ্ধ হয়ে মাওলানা আব্দুল হামিদ থান ভাসানী তাঁর পিঠে হাত রেখে বলেছিলেন- বেটা, গানের একাগ্রতা ছাড়িও না, তুমি একদিন গণমানুষের শিল্পী হবে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গণসংগীত শুনে ১৮৫ টাকা দেন, শেখ মুজিব ১১ টাকা দিয়ে বলেন, তোমার মতো শিল্পীকে উপযুক্ত মর্যাদা দেয়া হবে।
শাহ আবদুল করিমের গানের বিভিন্ন বই প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় আফতাব সংগীত, ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয় গণসংগীত, ১৯৮১ সালে কালনীর ঢেউ, ১৯৯০ সালে ধলমেলা, ১৯৯৮ সালে ভাটির চিঠি, ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় শাহ আব্দুল করিম রচনাসমগ্র।

সুনামগঞ্জ ১ আসনের সাবেক এমপি সৈয়দ রফিকুল হক সোহেলকে আবার ও কাছে চায় জনগণ

সুনামগঞ্জ ১ আসনের সাবেক এমপি সৈয়দ রফিকুল হক সোহেলকে আবার ও কাছে চায় জনগণ

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের ১ আসনের দু’ বারের সাবেক এমপি এড. সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল তাহিরপুর, ধর্মপাশা, মধ্যনগর ও জামালগঞ্জে আওয়ামীলীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা আলোচনার তুঙ্গে রেখেছেন সাবেক এমপি সোহেলকে। সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, সাবেক এমপি ও আওয়ামীলীগ নেতা এড. সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল সুনামগঞ্জ ১ আসনের (ধর্মপাশা,জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও মধ্যনগর) নির্বাচনী এলাকায় গণ সংযোগ ও মতবিনিময় ও উঠান বৈঠক করেছেন এবং সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী। আলোচনার পর পর এই আসনে সাধারন মানুষের মুখে মুখে আলোচনায় তিনি উঠে আসনে। আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক মোড় অনেকটা পাল্টিয়ে গেছে। নবীন ও প্রাবীণ, অবহেলিত আওয়ামীলীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা সোহেলকে নিয়ে চা ষ্টলে, হাটবাজারে আলোচনা ঝড় তুলছেন। তাহিরপুর ব্যবসায়ী হাছেন মিয়া (৫৫) বলেন, সোহেল সাব’র আমলে এই এলাকায় কোন দূনীতি ছিলনা সকলে মিলে প্রাণ খোলে কথা বলতে পারতাম, কৃষক আবুল কাশেম (৬২) বলেন, আমরা কৃষি ঋণ পেয়েছি সাবে আমলে। জামালগঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দিদার হোসেন (৫২) বলেন, সোহেল সাব আমাদের মায়া করতেন কোন সমস্যা হলে তিনি এসে সমাধান করতেন। ধর্মপাশার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি জুবেদ আলী (৭০) বলেন, আমি কখন দেখিনী সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল এর নাম ধরে কোন নেতা অবৈধ কাজে লিপ্ত হতে। মধ্যনগর ব্যবসায়ী কামাল হোসেন (৬০) বলেন, পূর্বে বাজারে মালামাল বিক্রয়ে খাজা দিতে হত না এখন ক্রেতা বিক্রতা উভয়ে খাজনা দিতে হয়। বাদশাগঞ্জের ব্যবসায়ী আলী আমজাদ বুলু (৪৫) বলেন, একজন সৎ, দক্ষ রাজনীতিবীদ দরকার তাই আমারা সৈয়দ রফিকুল হক সোহেলকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই। সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকলে ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় পতাকা তলে সকলে মিলে কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ। তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গণ সংযোগ করেছি। আমি দেখেছি গ্রামের সাধারন মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ও জন নেত্রী শেখ হাসিনাকে জনগণ ভালবাসেন, হাওর পাড়ের সাধারন মানুষ আজও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে স্বপ্ন দেখে সেই স্বপ্ন পূরন করার জন্য আওয়ামীলীগের দলীয় প্রতিক নৌকায় ভোট দিতে হবে। যদি আওয়ামীলীগ আমাকে সুনামগঞ্জ ১ আসনের প্রার্থী মনোনীত করলে এই আসন শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে উপহার দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করব।

ধর্মপাশা প্রেসক্লাবে ঈদপূনর্মিলনী একক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

ধর্মপাশা প্রেসক্লাবে ঈদপূনর্মিলনী একক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা


সেলিম আহম্মেদ  স্টাফ রিপোর্টার::
 ধর্মপাশা অফিস সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সাংবাদিকদের ঈদপূর্নমিলনী উপলক্ষ্যে লালনের একক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে । শুক্রবার রাত ৯টায় ধর্মপাশা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্থানীয় লালন সংগীত শিল্পী জাহাঙ্গীর আলমের পরিবেশনায় এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয় ।  অনুষ্ঠিত এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় র্সাবিক সহযোগীতায় ছিলেন স্থানীয় সংগীত শিল্পী লিটন চন্দ্র সাহা , পারভেজ আহম্মেদ ও সাংবাদিক সেলিম আহম্মেদ । শিল্পী জাহাঙ্গীর আলম লালন সংগীতের একে একে দেহতথ্য ও ভক্তিমুলক বারটি গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক সহ সকলকে মাতিয়ে তুলেন । অনুষ্ঠানটি রাত ১টায় শেষ হয় ।  এসময় সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি জুবায়ের পাশা হিমু , সাবেক সভাপতি মামুনুর রহমান পুরকাস্থ , সাধারণ সম্পাদক মো.ইসহাক মিয়া , সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন রানা, হাফিজুর রহমান চয়ন, বদরুল আলম, ইমাম হোসেন, ফারুক আহমেদ, কৃপেষ চন্দ্র সরকার রিংকু সহ প্রমুখ । 
 বিশ্বম্ভরপুরে সেতুর অভাবে চারটি উপজেলার ১০ লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ

বিশ্বম্ভরপুরে সেতুর অভাবে চারটি উপজেলার ১০ লক্ষ মানুষের দুর্ভোগ

সেলিম আহম্মেদ  স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফহেতপুর ইউনিয়নের আবুয়া নদীতে একটি সেতুর অভাবে চারটি উপজেলার ১০ লক্ষ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। নদীতে সেতুর কাজ শুরু হয়েও তা থেমে আছে অজানা কারণে। সেতুটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় জেলা সদরের সাথে সড়কপথে যোগাযোগ করতে গিয়ে বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ধর্মপাশা উপজেলা ও মধ্যনগড় থানার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন প্রতিদিন।
সেতু না থাকায় জেলা পরিষদ থেকে লিজ নিয়ে নদী পারাপারে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে ইজারাদাররা, নেই কোন ভাড়ার তালিকা, চলছে ইচ্ছামতো ভাড়া নেওয়া। নদী পারাপারে ব্যবহৃত একটি মাত্র ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা। মালামাল ও ছোটখাট যানবাহন পারাপার করতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে সময় ও অর্থ। প্রায়ই ঘটছে নৌদুর্ঘটনা।
সরেজমিনে  ও স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ফতেহপুর-নিয়ামতপুর সড়ক দিয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় যেতে সময় লাগে ৩০-৩৫ মিনিট, দূরত্ব ২৭ কিলোমিটার। সেতুটি নির্মিত না হওয়ায় সারা বছর জেলা সদরের সাথে তাহিরপুর, ধর্মপাশা উপজেলা মধ্যনগড় থানা ও ফতেহপুর ইউনিয়নের লোকজন বাধ্য হয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা সদর দিয়ে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করছে। জেলার অবহেলিত জামালগঞ্জ উপজেলার বিচ্ছিন্ন ইউনিয়নগুলোর মধ্যে ব্যবসার-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে সাচনা বাজার পরিচিত পাওয়ার সুবাধে প্রতিদিন শত শত লোকজনের পদচারণায় মুখরিত হয় এ নদীটি। এছাড়াও এখানকার অধিকাংশ কৃষক, সবজি চাষি তাদের উৎপাদিত পণ্য বেচাকেনার জন্য নৌকা দিয়ে আসা-যাওয়া করতে গেলে যাতায়াত খরচের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে কষ্টার্জিত কৃষিজাত পণ্য বিক্রি করে লাভের পরিবর্তে ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
চারটি উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ এই নদীতে সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেয়নি কোনো ব্যবস্থা। এতে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আবুয়া নদীটির উপর ২০০৮ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতুটির নির্মাণ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সেতু নির্মাণের কাজ শুরুর পর নদীর দুই পাড়ে দুটি পিলার করার পর নদীর মধ্যে অর্ধনির্মিত একটি পিলার পাইলিংয়ের সমস্যা দেখিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এরপর প্রায় ১০ বছর কেটে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে এভাবেই পড়ে আছে সেতুটি।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানান, জেলার পাগলা-জগন্নাথপুর সড়কে সাতটি ও বিশ্বম্ভরপুরের আবুয়া নদীতে একটি সেতুর প্রয়োজনীয় কাগজ তৈরি করে ঢাকা পাঠানো হয়েছে একনেকে অনুমোদন জন্য। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।
ফতেহপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা প্রসূন কান্তি দাশ প্রণয়, বিজিত মিত্র, ও ছাত্রছাত্রীরা জানান, আবুয়া নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগসহ সবক্ষেত্রে সুবিধা হতো। তারা সেতুটি দ্রুত করার দাবি জানান। ‘এ পর্যন্ত তিনজন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন কিন্তু এই নদীর উপর অসমাপ্ত ব্রিজ নির্মাণের জন্য কারো কোনো মাথা ব্যথ্যা নেই। আমাদের হয়েছে যত বিপদ। কাউকে কইতেও পারি না সইতেও পারি না। আমরা এই ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের জন্য মানববন্ধন করেছি। এই ব্রিজটি নির্মাণের পূর্বে মাটির পরীক্ষায় ত্রুটি ছিল। খামখেয়ালির জন্য সরকারের কোটি টাকার প্রজেক্ট রসাতলে যাচ্ছে।’
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘এই নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলে সারা বছর তাহিরপুর, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা, মধ্যনগড় থানার জনসাধারণ আবুয়া নদী পার হয়ে জেলা সদরের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারবে। প্রসার ঘটবে ব্যবসা-বাণিজ্যেরও।’
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ জানান, এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই কাজ বন্ধ রয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ জনস্বার্থে এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

সুখপাঠ্য করতে পাঠ্যবই উন্নত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সুখপাঠ্য করতে পাঠ্যবই উন্নত করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সুখপাঠ্য করতে পর্যায়ক্রমে সব কটি পাঠ্যবই উন্নত করা হবে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে নবম-দশম শ্রেণির যে ১২টি বই পরিমার্জন করে সুখপাঠ্য করা হয়েছে, তার মধ্যে বিজ্ঞানের ছয়টি পরিমার্জিত বইয়ের অনুলিপি ও ছাপার জন্য সিডি শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তুলে দেয় অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক মো. কায়কোবাদের নেতৃত্বাধীন কমিটি। পরিমার্জিত বইগুলো হলো রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান, গণিত ও উচ্চতর গণিত। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীরা এসব পরিমার্জিত বই পাবে।অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এক দিনে তো সব সম্ভব নয়; তাই পর্যায়ক্রমে সব কটি বই উন্নত করা হবে। শিক্ষার মান সম্পর্কে তিনি বলেন, শিক্ষার মান কমছে না, বাড়ছে। তবে যা দরকার, তা হয়তো হচ্ছে না।অনুষ্ঠানে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, এই দিনটি তাঁর জীবনের খুব আনন্দময় দিন। তাঁরা যে বইটি করেছেন, তা নির্ভুল বই।অধ্যাপক মো. কায়কোবাদ বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীরা এ বইগুলো এখন আগ্রহ ও আনন্দ নিয়ে পড়বে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত শিক্ষাসচিব চৌধুরী মুফাদ আহমেদ ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।