শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

বিশ্বম্ভরপুরে দালাল মোবারকের জিম্মায় একটি পরিবার।

বিশ্বম্ভরপুরে দালাল মোবারকের জিম্মায় একটি পরিবার।

মোঃ আজিজুল ইসলাম-মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)
পুরনো শত্রুতার জের ধরে মানুষ কত কিছুইনা করতে পারে, আর এ শাস্থিও পেতে হয়। এমনটাই হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোলগাঁও গ্রামের শাহেদ আলীর বাড়িতে একটি পুরনো শত্রুতার জের ধরে তার ছেলে  দশম শ্রেনীর ছাত্র নুর আলম (১৬) কে জীবন অন্ধকারে ডেকে দিতে ছেয়েছিল সলুকাবাদ ইউনিয়নের মথুরকান্দি গ্রামের জামাত নেতা দালাল মোবারক। সে গোলগাঁও গ্রামের দশম শ্রেনীর পড়–য়া ছাত্রী ফুলেছা কে কৌশলে ছেলের নানার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে নুর আলম কে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল দালাল মোবারক।  ছেলে মেয়ে উভয় পক্ষের নিশ্চিত একটি স্বপ্ন বাস্তবে জনাঞ্জলির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে ছিল দালাল মোবারক। সরেজমিনে জানাযায় ঐ দালাল মোবারক টাকার বিনিময়ে এইধরনে একটি জঘন্য ষড়যন্ত  করে। নুর আলমের বাবার কাছে দালাল মোবারক একলক্ষ টাকা দাবি করে এবং বলে দেয় টাকা দিলে এই ঘটনার অবসান হবে। ছেলে পক্ষ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় দালাল মোবারক ছেলের বাবাকে অনেক হুমাক দমকি দেয়। ঘটনাস্থলে মেয়ের পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়, ঐ দালাল সাংবাদিককে মোবাইল ফোনে হুমকি দেয়। সাংবাদিক জিজ্ঞাসাবাদ করে আসার সময় রাস্তায় সাংবাদিকের মোটর সাইকেল আটক করার চেষ্টা করে, এবং এবং মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে চাবি ফেরত দেয়, কিন্তু একটি শর্তবেধে দেয় যে, সংবাদ পত্রে যেন সটিক তথ্য না আসে। সাংবাদিক কোন কথা আমলে না নিয়ে, সেখান থেকে চলে আসতে চাইলে সে অনেক প্রকার হুমকি দমকি দিতে থাকে। পরে মোবারক মোবাইল ফোনে (০১৭৯০০৬৫২২৪)।  হুমকি দিয়ে বলে তোমাকে যা বলি শুন, তুমি এই ধরনের কোন নিউজ না করতে নিষেধ করতেছি। এর পরে মোবারক সাংবাদিকের অফিসে এসে অনেক উত্তেজিত ভাবে সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়। একলক্ষ টাকার বিয়ষটি মোবারকের কাছে জানতে চাইলে সে কোন কথা না বলে চলে যায়। অন্যদিকে ধনপুর ইউনিয়রের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান এই পুর বিষটি এখনো আমি পুরোপুরি ভাবে জানিনা, শুধু মেয়ের পক্ষ থেকে কিছু জানা হয়েছে। চেয়ারম্যান আরও জানান যে মথুরকান্দির জামাত নেতা মোবারকের সাজানো নাটক।শুধু মেয়ের পক্ষ থেকে কিছু জানা হয়েছে। চেয়ারম্যান আরও জানান যে মথুরকান্দির জামাত নেতা মোবারকের সাজানো নাটক।

শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৭

ধর্মপাশায় নন-গেজেটেড কর্মচারী ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন

ধর্মপাশায় নন-গেজেটেড কর্মচারী ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় নন-গেজেটেড সরকারি কর্মচারী ক্লাব দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন বুধবার রাত সাড়ে আটটায় উপজেলা তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী ক্লাবের কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়েছে।
উপজেলা নন -গেজেটেড সরকারি কর্মচারী ক্লাবের আহবায়ক একেএম শামছুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সম্মেলণে সর্ব সম্মতিক্রমে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসানকে সভাপতি ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ইউএফপিএ মো. মাহমুদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট্য কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রতন চন্দ্র সরকার, কোষাধ্যক্ষ হেলালুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক শরফরাজ আহম্মেদ খান পাঠান, ক্রীড়া ও সাস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহীনুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শরিফ উদ্দিন, সম্মানিত সদস্য এনায়েত কিবরিয়া তালুকদার, মুর্তুজা আলী, শফিকুল ইসলাম, আব্দুল বারী, তাজমূল হুদা জুয়েল ও মো. মোবারক হোসেন।

সলুকাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম

সলুকাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম

মোঃ আজিজুল ইসলাম (বিশেষ প্রতিনিধি)
পরম করুণাময় আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন বলেন মানুষ যাকে সম্মান করে আমিও তাকে সম্মানের আসনে প্রতিষ্টিত করি। যেমন সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নে ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ জাকিরুল ইসলাম, তিনি গত ১১-১০-২০১৭ ইং হইতে ২০-১০-২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত  সলুকাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ জাকিরুল ইসলাম বলেন, রওশন আলী চেয়ারম্যান ছুটিতে থাকার কারণে আমাকে এ দায়িত্ব দেয়া হয়। আমি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানায়। এবং সলুকাবাদ ইউনিয়ন বাসির সর্বস্থর জনগনের কাছে দোয়া কামনা করি।

বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৭

ওসি মো. সেলিম নেওয়াজের হস্তক্ষেপে ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে বন্ধ

ওসি মো. সেলিম নেওয়াজের হস্তক্ষেপে ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে বন্ধ

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর থানার ওসি মো. সেলিম নেওয়াজের হস্তক্ষেপে  গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল ইয়াসমিন আক্তার (১২) নামে এক ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী।
ইয়াসমিন আক্তার উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুড়িপত্তন গ্রামের আহাদ আলীর মেয়ে ও নওগাঁ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী।
মধ্যনগর থানার ওসি মো. সেলিম নেওয়াজ জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুড়িপত্তন গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে হোসেন মিয়ার (১৮) সাথে একই গ্রামের বাসিন্দা আহাদ আলীর শিশু কন্যা ও নওগাঁ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী ইয়াসমিন আক্তারের বিয়ের আয়োজন চলছে। এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কনের বাড়িতে গিয়ে ওই বাল্য বিয়েটি পন্ড করে দেই। পরে বাল্য বিয়ে না দেয়ার শর্তে বর ও কনের অভিভাবকের মুচলেখা রাখা  হয়।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিবাদে ধর্মপাশায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিবাদে ধর্মপাশায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মোতালিব খান ও সাধারন সম্পাদক ইসতিয়াক হোসেন স্বপনের নেতৃত্বে ধর্মপাশা সদরের পূর্ব বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি পূনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে এক প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, আব্দুল মোতালিব খান, ইসতিয়াক হোসেন চৌধুরী স্বপন, উপজেলা বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান মজুমদার,নূরুল ইসলাম বিএসসি, উপজেলা যুবদল নেতা আব্দুল হেকিম, নয়ন মিয়া, নিজামূল হক রোকন, ইমরান আহম্মেদ লিটন, সোহেল তাজ,সদর ইউনিয়নের যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক,উপজেলা ছাত্রদল নেতা এম হাবিবুল্লাহ্, ফারুক আহম্মেদ,গালিব চৌধুরী, জেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক আবুল কাশেম, উপজেলা কৃষকদল নেতা আওলাদ হোসেন,শওকত আলী, বকুল মড়ল, ,লাকছাঁন মিয়া প্রমূখ।
ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয়

ব্লু হোয়েল গেম' থেকে বিরত থাকতে করণীয়

অবসরে স্মার্টফোনে গেম খেলার পরিণতি এতটা ভয়ানক হতে পারে কদিন আগেও কে ভেবেছিল তা?  কিন্তু এখন ভাবতে হচ্ছে তা। সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আতংকের নাম হয়ে দাঁড়ানো ‘ব্লু হোয়েল’ গেম কেড়ে নিয়েছে অনেক তরুণ প্রাণ।
এর পরপরই মানুষ অনুধাবন করছে আপাত সাধারণ অনলাইন ভিত্তিক একটি গেমও কতটা মারাত্মক হতে পারে। আতঙ্কের পুরো নাম ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’। যেখানে একজনকে অতি সহজে বোকা বানিয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায় গেমটির এ্যাডমিন। গেমটি খেলতে খেলতে ব্যবহারকারীরা এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ছে যে এক সময় আত্মহত্যা করতেও হৃদয় কাঁপছে না তাদের।
পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে এই গেমটির বিপক্ষে স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের এ গেম খেলা থেকে বিরত রাখার জন্য রীতিমত চিন্তিত হয়ে পড়েছেন সেসব দেশের বিশেষজ্ঞরা।
কী এই ব্লু হোয়েল গেম ?
অনলাইন ভিত্তিক একটি গেম। অনলাইনে একটি কমিউনিটি তৈরি করে চলে এ প্রতিযোগিতা। এতে সর্বমোট ৫০টি ধাপ রয়েছে।
আর ধাপগুলো খেলার জন্য ঐ কমিউনিটির অ্যাডমিন বা পরিচালক খেলতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ দিবে। আর প্রতিযোগী সে চ্যালেঞ্জ পূরণ করে তার ছবি আপলোড করবে। শুরুতে মোটামুটি সহজ এবং কিছুটা চ্যালেঞ্জিং কাজ দেয়া হয়। যেমন: মধ্যরাতে ভূতের সিনেমা দেখা। খুব সকালে ছাদের কিনারা দিয়ে হাঁটা এবং ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা।
তবে ধাপ বাড়ার সাথে সাথে কঠিন ও মারাত্মক সব চ্যালেঞ্জ দেয় পরিচালক। যেগুলো অত্যন্ত ভয়াবহ এবং এ খেলার সর্বশেষ ধাপ হলো আত্মহত্যা করা। অর্থাৎ গেম শেষ করতে হলে প্রতিযোগীকে আত্মহত্যা করতে হবে।
কেন যুবক–যুবতীরা আকৃষ্ট হচ্ছে?
সহজ ও নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এবং সাহস আছে কি না এমন কথায় সাহস দেখাতে গিয়ে দিনকে দিন যুবক-যুবতীরা আকৃষ্ট হচ্ছে এই গেমে। তবে একবার এ খেলায় ঢুকে পড়লে তা থেকে বের হয়ে আসা প্রায় অসম্ভব।
তেমনি জানা যায় গেম থেকে বেঁচে ফিরে আসা ভারতীয় এক যুবকের কাছ থেকে তিনি জানান, ব্লু হোয়েল গেমটা আসলে একটা ভয়ঙ্কর মরণ ফাঁদ। ইচ্ছে থাকলেও যে ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসা যায় না। সেই হাতছানিই প্রায় আত্মহত্যার পথে টেনে নিয়ে গিয়েছিল ভারতের পুদুচেরির যুবক ২২ বছর বয়সী আলেকজান্ডারকে। কিন্তু শেষমেশ পুলিশ পুদুচেরির করাইকালে তার বাড়িতে ঢুকে পড়ায় আর আত্মঘাতী হতে পারেনি আলেকজান্ডার।
পুলিশ যখন তাকে বাঁচায়, তখন আলেকজান্ডারের হাতে আঁকা ছিল নীল তিমি। এক পদস্থ পুলিশ কর্তার পাশে বসে আলেকজান্ডার বলেছেন, ‘‘এটা পুরোপুরি মরণ ফাঁদ। ওই গেমে ঢুকে পড়লেই ভয়ে কাঁপতে হবে। অ্যাডভেঞ্চার যাদের খুব ভাল লাগে, তারাও ভয়ে কাঁপতে থাকবেন। আমি সবাইকে বলছি, বড়ই ভয়ঙ্কর গেম ব্লু হোয়েল। কেউ যেন ভুল করেও ওই মরণ ফাঁদে না পড়েন। ’’
খেলার মাঝপথে বাদ দিতে চাইলে প্রতিযোগীকে ব্লাকমেইল করা হয়। এমনকি তার আপনজনদের ক্ষতি করার হুমকিও দেয়া হয়। আর একবার মোবাইলে এই অ্যাপটি ব্যবহারের পর তা আর ডিলিট করা যায় না।
গেমটি ঠিক কোনও অ্যাপ নয়। নয় কোনও গেমও। এটা জাস্ট একটা লিঙ্ক। আর সেটা চালান একজন অ্যাডমিন। ওই গেম খেলতে যিনিই ঢোকেন, তাকে কয়েকটি টাস্ক দেন অ্যাডমিন। প্রত্যেক দিন সেই টাস্কগুলো রাত ২ টার পর শেষ করতে হয়। ওই গেম খেলতে ঢোকার পর কয়েকটা দিন কাটে মোটামুটি স্বাভাবিক ভাবেই। তখন অ্যাডমিন সকলের ব্যক্তিগত পরিচিতি ও ফটোগ্রাফ সংগ্রহ করতে শুরু করেন। তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন অ্যাডমিন।
কোথায় জন্ম এই মরণ খেলার?
ইন্টারনেট বলছে, এই খেলার জন্ম রাশিয়ায়। জন্মদাতা ২২ বছরের তরুণ ফিলিপ বুদেকিন। ২০১৩ সালে রাশিয়ায় প্রথম সূত্রপাত। ২০১৫ সালে প্রথম আত্মহত্যার খবর পাওয়া যায়। তবে এহেন গর্হিত কাজের জন্য নিজেকে অপরাধী না বলে বরং সমাজ সংস্কারক বলে নিজেকে অভিহিত করে বুদেকিন। সে জানায়, এই চ্যালেঞ্জের যারা শিকার তারা এ সমাজে বেঁচে থাকার যোগ্য নয়।
ব্লু হোয়েল গেম এর ৫০ টি ট্যাস্ক থাকে যা আপনাকে সুইসাইড পর্যন্ত নিয়ে যাবে। এই খেলার সমাপ্তি ঘটবে খেলোয়াড়ের মৃত্যু দিয়ে। এ গেম নিয়ে রীতিমতো অবাক রাশিয়া পুলিশ। তদন্তের পর তারা জানায় অন্তত ১৬ জন কিশোরী এ গেমের কারণে আত্মহত্যা করেছে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১৩০ জনের আত্মহত্যার জন্য এ গেম দায়ী। তবে এ গেমের মূল অ্যাডমিন বুদেকিন আটক থাকলেও থেমে নেই তাদের কার্যক্রম। যার ফলে এ গেমের প্রভাব বিরাজমান।
এর থেকে বাঁচতে কি করতে হবে?
১। প্রথমত চাই আপনার সচেতনতা। কেন আপনি অপরের নির্দেশনায় যাকে আপনি কখনও দেখেন নি, যার পরিচয় জানেন না তার কথায় কেন নিজের জীবন অকালে বিলিয়ে দিবেন!
২। এই রকম কোনও লিংক আসলে তাকে এড়িয়ে চলা। সমাজের তরুণ ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে সব বয়সীদের মাঝে এই গেমের আদ্যোপান্ত সম্পর্কে বলা।
৩। আপনার সন্তানকে মোবাইলে ও কম্পিউটারে অধিক সময়ে একাকী বসে থাকতে দেখলে, খেয়াল করুন সে কি করছে। সন্তানকে কখনও একাকী বেশি সময় থাকতে না দেয়া এবং এই সব গেমের কুফল সম্পর্কে বলা।
৪। সন্তানদের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মানসিকতা সৃষ্টি করা। যাতে করে তারা বুঝতে পারে আত্মহত্যা করা বা নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করা অনেক বড় পাপের কাজ।
৫। আপনার সন্তান ও পরিবারের অন্য কোন সদস্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কি না সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয় তাকে সঙ্গ দেয়া।
৬। কৌতুহলী মন নিয়ে এই গেমটি খেলার চেষ্টা না করায় ভালো। কৌতুহল থেকে এটি  নেশাতে পরিণত হয়। আর নেশাই হয়তো ডেকে আনতে পারে আপনার মৃত্যু।
অতএব, দয়া করে এই গেমটি কেউ খেলবেন না, কাউকে খেলতেও দেবেন না।
সূত্র-ডিএমপিনিউজ

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

সুনামগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সুনামগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। গতকাল  সোমবার দুপুরে লক্ষনশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর এলাকায় সুরমা নদীতে একটি লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ  সুরমা নদী থেকে উদ্ধার করে। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে লাশটির ময়না তদন্ত সম্পন্ন করে সুনামগঞ্জ আঞ্জুমানে মফিদুলের মাধ্যমে দাফন করা হয়।এব্যাপারে সুনামগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল্লা সত্যতা নিশ্চিত করেন ।

রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৭

রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষকের আবারও দুর্নীতি।

রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষকের আবারও দুর্নীতি।

মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন একের পর এক দুর্নীতি করে আসছে। অল্প সময়ে অধিক ধনসম্পদের মালিক  হওয়ার জন্য রতারগাঁও স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সরকারি  জায়গা থেকে নিজের প্রভাব দেখিয়ে গাছ নিধনে উঠেপড়ে লেগেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় বাজারে সরকারি জায়গার উপর বিশাল বড় একটি রেন্টি গাছঁ । ঐ গাছটি প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক অনেক দিন কাঠার জন্য আসলে, বাজার কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন অনেক বার নিষেধ করেন। কিন্তু বাজার কমিটির সভাপতির কথার কোন তুয়াক্কা না করে গাছটির প্রধান শাখা  কেঠে ফেঁলেন। পরে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে নাছির উদ্দিন, বাদল মিয়া, শাহজাহান, নাজিম মিয়া সহ অনেকে  নিষেধ করলে তার পড়েও গাছঁ কাঠা বন্ধ করেন না। পরে পলাশ ভ’মি অফিস সহকারী  মোহাম্মদ আলী  আসার পরে গাছ কাঠা বন্ধ করেন। এ সময় প্রধান শিক্ষক নিজেকে নির্ধোষ প্রমান করার জন্য তাহার নিজের গাছঁ বলে দাবি করেন। স্থানীয় সুত্রে জানা  যায় দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন  তাহার নিজ বাড়ি মেরামত করার জন্য গাছঁটি কাঠতে চান। ঐ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক , শুধু গাছ কাঠা নয় স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে যে হারে দুর্নীতি করেছে সম্ভবত আমাদের জানা মত পৃথিবীর আর কোন শিক্ষক এ রকম দুর্নীতি করে নাই। এখন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক সরকারি জায়গা থেকে গাছঁ কাঠার জন্য ঊপচে পরে লেগেছে। আমরা ঐ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চায়। বাজার কমিটির সভাপতি জনাব নাছির উদ্দিন জানান আমাদের এলাকার প্রধান শিক্ষক একজন লোভী  মানুষ। সে বাজারে সরকরি জায়গার উপর যে গাছটি রয়েছে ঐ গাছটি কাটার জন্য অনেকবার   এসেছে। এবং শেষ পর্যন্ত গাছের প্রধান শাখাটিও কেঠে ফেলেছে।  এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন জানান এ গাছটি আমি নিজে লাগিয়েছি, এবং আমি গাছটি কাঠিনায়।

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

জামালগঞ্জে বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্টিত

জামালগঞ্জে বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্টিত

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে সাচনা বাজার অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নুরুল হক আফিন্দী, সাধারন সম্পাদক আব্দুল মালিক’র সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন
বিএনপি’র সহ সভাপতি মো. শামছু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শাহীনুর রহমান, সহ সম্পাদক মোজাম্মেল হক স্বপন, শাহাব উদ্দিন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল লেইছ, মিছবাহ উদ্দিন, মদরিছ মিয়া চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য আব্দুল মতিন সরকার, সাচনা বাজার ইউপি বিএনপি’র সভাপতি জয়নাল আবেদীন পাঠান, ফেনারবাক ইউপি সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক, জামালগঞ্জ সদর আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, বেহেলী ইউপি সাধারন সম্পাদক ডা. নজির আহম্মেদ, ভীমখালী ইউপি সাধারন সম্পাদক আলী হোসেন, জামালগঞ্জ উল্টর ইউপি আহবায়ক কমিটির নির্বাহী সদস্য জালাল উদ্দিন ফারুকী প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর শনিবার সাচনা বাজার ইউপি দূর্লভপুর বাজারে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করা হবে। আগামীতে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম ও নির্বাচনে ঐক্য বদ্ধ ভাবে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল এক শিশু

ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল এক শিশু

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল তাসলিমা আক্তার অরফে মনি (১১) নামের এক শিশু কন্যা। শিশু মণি আক্তার উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বড়পাচুর গ্রামের আব্দুল বারেকের মেয়ে।
জানা যায়, উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বড়পাচুর গ্রামের আব্দুল বারেকের শিশু কন্যা মণি আক্তার (১১) সাথে একই ইউনিয়নের বালীজুরী গ্রামের তরিক মিয়ার ছেলে মিষ্টার মিয়ার (২৪)  বিয়ের আয়োজন চলছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.মামুন খন্দকার
পুলিশ ও সাংবাদিকদের নিয়ে ওই বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেয়।
এব্যাপারে (ইউএনও) মো.মামুন খন্দকার বলেন ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকের কাছ থেকে বাল্য বিয়ে না দেয়ার শর্তে একটি মুচলেখা রাখা হয়েছে।