সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর থানার ওসি মো. সেলিম নেওয়াজের হস্তক্ষেপে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল ইয়াসমিন আক্তার (১২) নামে এক ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী।
ইয়াসমিন আক্তার উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুড়িপত্তন গ্রামের আহাদ আলীর মেয়ে ও নওগাঁ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী।
মধ্যনগর থানার ওসি মো. সেলিম নেওয়াজ জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুড়িপত্তন গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে হোসেন মিয়ার (১৮) সাথে একই গ্রামের বাসিন্দা আহাদ আলীর শিশু কন্যা ও নওগাঁ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী ইয়াসমিন আক্তারের বিয়ের আয়োজন চলছে। এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কনের বাড়িতে গিয়ে ওই বাল্য বিয়েটি পন্ড করে দেই। পরে বাল্য বিয়ে না দেয়ার শর্তে বর ও কনের অভিভাবকের মুচলেখা রাখা হয়।
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর থানার ওসি মো. সেলিম নেওয়াজের হস্তক্ষেপে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল ইয়াসমিন আক্তার (১২) নামে এক ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী।
ইয়াসমিন আক্তার উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুড়িপত্তন গ্রামের আহাদ আলীর মেয়ে ও নওগাঁ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী।
মধ্যনগর থানার ওসি মো. সেলিম নেওয়াজ জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বুড়িপত্তন গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে হোসেন মিয়ার (১৮) সাথে একই গ্রামের বাসিন্দা আহাদ আলীর শিশু কন্যা ও নওগাঁ দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাত্রী ইয়াসমিন আক্তারের বিয়ের আয়োজন চলছে। এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কনের বাড়িতে গিয়ে ওই বাল্য বিয়েটি পন্ড করে দেই। পরে বাল্য বিয়ে না দেয়ার শর্তে বর ও কনের অভিভাবকের মুচলেখা রাখা হয়।
খবর বিভাগঃ
dharmapasha
upazila-news


0 Comments: