মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

সুনামগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সুনামগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। গতকাল  সোমবার দুপুরে লক্ষনশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর এলাকায় সুরমা নদীতে একটি লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ  সুরমা নদী থেকে উদ্ধার করে। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে লাশটির ময়না তদন্ত সম্পন্ন করে সুনামগঞ্জ আঞ্জুমানে মফিদুলের মাধ্যমে দাফন করা হয়।এব্যাপারে সুনামগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল্লা সত্যতা নিশ্চিত করেন ।

রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৭

রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষকের আবারও দুর্নীতি।

রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষকের আবারও দুর্নীতি।

মোঃ শফিকুল ইসলাম (বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন রতারগাঁও উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন একের পর এক দুর্নীতি করে আসছে। অল্প সময়ে অধিক ধনসম্পদের মালিক  হওয়ার জন্য রতারগাঁও স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সরকারি  জায়গা থেকে নিজের প্রভাব দেখিয়ে গাছ নিধনে উঠেপড়ে লেগেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাধীন সলুকাবাদ ইউনিয়নের বাঘবেড় বাজারে সরকারি জায়গার উপর বিশাল বড় একটি রেন্টি গাছঁ । ঐ গাছটি প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক অনেক দিন কাঠার জন্য আসলে, বাজার কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন অনেক বার নিষেধ করেন। কিন্তু বাজার কমিটির সভাপতির কথার কোন তুয়াক্কা না করে গাছটির প্রধান শাখা  কেঠে ফেঁলেন। পরে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে নাছির উদ্দিন, বাদল মিয়া, শাহজাহান, নাজিম মিয়া সহ অনেকে  নিষেধ করলে তার পড়েও গাছঁ কাঠা বন্ধ করেন না। পরে পলাশ ভ’মি অফিস সহকারী  মোহাম্মদ আলী  আসার পরে গাছ কাঠা বন্ধ করেন। এ সময় প্রধান শিক্ষক নিজেকে নির্ধোষ প্রমান করার জন্য তাহার নিজের গাছঁ বলে দাবি করেন। স্থানীয় সুত্রে জানা  যায় দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন  তাহার নিজ বাড়ি মেরামত করার জন্য গাছঁটি কাঠতে চান। ঐ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক , শুধু গাছ কাঠা নয় স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে যে হারে দুর্নীতি করেছে সম্ভবত আমাদের জানা মত পৃথিবীর আর কোন শিক্ষক এ রকম দুর্নীতি করে নাই। এখন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক সরকারি জায়গা থেকে গাছঁ কাঠার জন্য ঊপচে পরে লেগেছে। আমরা ঐ দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি চায়। বাজার কমিটির সভাপতি জনাব নাছির উদ্দিন জানান আমাদের এলাকার প্রধান শিক্ষক একজন লোভী  মানুষ। সে বাজারে সরকরি জায়গার উপর যে গাছটি রয়েছে ঐ গাছটি কাটার জন্য অনেকবার   এসেছে। এবং শেষ পর্যন্ত গাছের প্রধান শাখাটিও কেঠে ফেলেছে।  এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মহসিন আহমদ ইয়াছিন জানান এ গাছটি আমি নিজে লাগিয়েছি, এবং আমি গাছটি কাঠিনায়।

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

জামালগঞ্জে বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্টিত

জামালগঞ্জে বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্টিত

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে সাচনা বাজার অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নুরুল হক আফিন্দী, সাধারন সম্পাদক আব্দুল মালিক’র সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন
বিএনপি’র সহ সভাপতি মো. শামছু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওয়ালী উল্লাহ সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শাহীনুর রহমান, সহ সম্পাদক মোজাম্মেল হক স্বপন, শাহাব উদ্দিন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল লেইছ, মিছবাহ উদ্দিন, মদরিছ মিয়া চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য আব্দুল মতিন সরকার, সাচনা বাজার ইউপি বিএনপি’র সভাপতি জয়নাল আবেদীন পাঠান, ফেনারবাক ইউপি সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী তৌফিক, জামালগঞ্জ সদর আহবায়ক নাজিম উদ্দিন, বেহেলী ইউপি সাধারন সম্পাদক ডা. নজির আহম্মেদ, ভীমখালী ইউপি সাধারন সম্পাদক আলী হোসেন, জামালগঞ্জ উল্টর ইউপি আহবায়ক কমিটির নির্বাহী সদস্য জালাল উদ্দিন ফারুকী প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর শনিবার সাচনা বাজার ইউপি দূর্লভপুর বাজারে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করা হবে। আগামীতে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম ও নির্বাচনে ঐক্য বদ্ধ ভাবে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল এক শিশু

ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল এক শিশু

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল তাসলিমা আক্তার অরফে মনি (১১) নামের এক শিশু কন্যা। শিশু মণি আক্তার উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বড়পাচুর গ্রামের আব্দুল বারেকের মেয়ে।
জানা যায়, উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বড়পাচুর গ্রামের আব্দুল বারেকের শিশু কন্যা মণি আক্তার (১১) সাথে একই ইউনিয়নের বালীজুরী গ্রামের তরিক মিয়ার ছেলে মিষ্টার মিয়ার (২৪)  বিয়ের আয়োজন চলছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.মামুন খন্দকার
পুলিশ ও সাংবাদিকদের নিয়ে ওই বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেয়।
এব্যাপারে (ইউএনও) মো.মামুন খন্দকার বলেন ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকের কাছ থেকে বাল্য বিয়ে না দেয়ার শর্তে একটি মুচলেখা রাখা হয়েছে।

শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৭

ধর্মপাশায় ফলদ বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন

ধর্মপাশায় ফলদ বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় ফলদ বৃক্ষ মেলা ২০১৭ শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্টিত হয়েছে।
স্বাস্থ্য পুষ্টি অর্থ চাই দেশি ফলের গাছ লাগাই এ স্লোগানকে সামনে রেখে একটি বর্ণাট্য র‌্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা  চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
গত কাল শুক্রবার ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্যেগে উপজেলা চত্বরে ৩ দিনব্যাপি ফলদ বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মোতালিব খাঁন,ভাইস চেয়ারম্যান মোসাহিদ তালুকদার,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহম্মেদ বিলকিস। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মামুন খন্দকার । আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শোয়েব আহম্মেদ, আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবু মনীন্দ্র চন্দ্র তালুকদার,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য শামীম আহম্মেদ মুরাদ সেলবরষ ইউপি চেয়ারম্যান নূর হোসেন,জয়শ্রী ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরী,সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান ফরহাদ আহম্মেদ প্রমূখ।

বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৭

জামালগঞ্জে জলমহাল কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্টিত

জামালগঞ্জে জলমহাল কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্টিত

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা বিশ একরের নিচে জলমহাল কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বুধবার উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান।
সহকারী কমিশনার(ভুমি) মনিরুল হাসানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন-উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজা আক্তার দিপু, মৎস্য কর্মকর্তা  সেফাউল আলম, উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার,ওসি তদন্ত মিজানূর রহমান সিদ্দিকী, সমবায় কর্মকর্তা আবু তাহের, ফেঁনারবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান করুনাসিন্ধু তালুকদার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাজ্জাদ মাহমুদ সাজিব, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালী উল্লাহ সরকার,  স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ। বিল ব্যবস্থাপনা কমিটি সদস্য জিতেন্দ্র তালুকদার পিন্টু, মৎস্যজীবিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,আব্দুল মমিন শিপন,আব্দুল আলী, আবুল কাশেম, রহিছ উদ্দিন, উৎপল চন্দ্র তালুকদার,  মো.আক্তার আলী প্রমূখ।
সভায় বক্তাগন বলেন,জলমহালের সীমানা পানি কমার পর নির্ধারণ করে সীমানার বাহিরে উম্মোক্ত হাওড়ে মৎস্য জীবিরা যেন মাছ ধরতে পারে সে ব্যাবস্থা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ছোট পোনা মাছ নিধন থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে মেশিন দিয়ে জলমহালের তলা শুকিয়ে মাছ ধরার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবিরা সাব লিজ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রতি জুলাই থেকে মার্চ মাসের মধ্যে প্রত্যেকটি সমিতি অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হবে। মৎস্যজীবি সমিতির মাঝে কোন জুিঙ্গ থাকলে সদস্য পদ বাতিল করা হবে। উম্মোক্ত নদীতে বাশঁ দিয়ে ঘের করে মাছ মারা যাবেনা।

মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৭

খাইরুল হুদা চপলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ধর্মপাশায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভা

খাইরুল হুদা চপলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ধর্মপাশায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভা

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জেলা যুবলীগের আহবায়ক খাইরুল হুদা চপলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভা করেছে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বংশিকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলার মধ্যনগর থানা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মেহেদি হাসান উজ্জ্বলের নেতৃত্বে বংশিকুন্ডা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে প্রায় দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বংশিকুন্ডা বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে এক প্রতিবাদসভায় মিলিত হয়।
ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. কুদরত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত প্রতিবাদসভায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামীলীগ নেতা নারায়ণ সরকার, যুবলীগ নেতা মেহেদি হাসান উজ্জ্বল,ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দেবল সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক পীযুষ সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক আশরাফুল আলম,যুবলীগ নেতা শাহীনুর আলম, আব্দুল আমীন, বিল্লাল হোসেন, কমল সরকার প্রমূখ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন,রাজনৈতিক প্রতি হিংসার কারণেই ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় জেলা যুবলীগের জনপ্রিয় সংগ্রামী আহবায়ক খাইরুল হুদা চপলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চক্রান্তকারীরা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক অবস্থানকে দুর্বল করার লক্ষেই তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাছে তাই আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা খাইরুল হুদা চপলের অনতিবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।
নাটকীয় ভাবে নাম পরিবর্তন করেন সুধাংশু

নাটকীয় ভাবে নাম পরিবর্তন করেন সুধাংশু

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আসলে বাংলাদেশে আত্ম প্রকাশ করা নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতি মিঠুন চৌধুরীর আসল নাম সুধাংশু রায়। তাঁর বাড়ি সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলি ইউনিয়নের রহিমাপুর গ্রামে।

এলাকাবাসী জানাযায়, মিঠুন চৌধুরী নাম নেওয়া সুধাংশু রায় ১৯৯১ সালে এসএসসি পাস করে এলাকা ছাড়ার পর মাঝেমধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন উৎসবে স্বল্প সময়ের জন্য এলাকায় আসতেন। ভারত ঘুরে এসে নিজের প্রকৃত নাম গোপন করে নতুন নাম নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল করেন তিনি। এ ঘটনায় এলাকাবাসীও বিস্ময় প্রকাশ করেছে।

সুধাংশু রায়ের পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুধাংশু রায়ের জীবন রহস্যে ঘেরা। তিনি নিজের বংশের উপাধি বদলে এখন চৌধুরী উপাধি ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশের কিংবদন্তি বাম রাজনীতিবিদ বরুণ রায় আত্মীয় না হলেও তিনি তাঁর নাতি বলে পরিচয় দিচ্ছেন। তবে বরুণ রায়ের স্ত্রী শীলা রায় জানিয়েছেন, এ নামের কেউ তাঁদের আত্মীয় নন।

সরজমিনে সুধাংশু রায় ওরফে মিঠুন চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, মরা পিয়ান নদীর তীরে তাঁর বাড়িতে দুটি টিনশেড ঘর আর একটি আধাপাকা কালী মন্দির। সাচনবাজার থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার অদূরে রহিমাপুরের এই  বাড়িতে মৃত হরেন্দ্র রায়ের স্ত্রী  রেণুবালা রায় (৮৫) ও তিন ছেলের পরিবার নিয়ে থাকছেন,বাবুল রায়(৬০),হিমেন্দ্র রায়(৫৫)  ও হিমাংশু রায়।

সবার বড়ভাই বাবুল রায়(৬০) স্থানীয় সাচনা বাজারে ফলের ব্যাবসা করেন, হিমেন্দ্র রায়(৫৫) স্থানীয় বাজারে ফেরি করে মালামাল বিক্রি করেন। হিমাংশু রায়(৪৫) সাচনা বাজারের মাদক স¤্রাট ও চোরা কারবারী ,ইন্দ্রজিত রায় নামের এক ভাই বর্তমানে ভারতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সবার ছোট ভাই বিশ্বজিৎ রায় সেন্টু মাদক কারবারের অভিযোগে সম্প্রতি জেল খেটে বেরিয়েছেন।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৯১ সালে এসএসসি পাস করে সুনামগঞ্জের গোবিন্দগঞ্জ কলেজে ভর্তি হন সুধাংশু রায়। সেখানকার ভর্তি বাতিল করে এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি।

তবে সুধাংশু রায় দাবি করেন, পরে সিলেট ও কলকাতায় উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন। কোন বিষয়ের ওপর পড়াশোনা করেছেন জানতে চাইলে তিনি ‘কালচারাল’ বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করার দাবি করেন।

পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, ২০০২ সালে বিটিভিতে ‘জীবন একটাই’ নামের একটি নাটক প্রযোজনা করে নিজের নাম মিঠুন চৌধুরী করেন সুধাংশু রায়। এর পর থেকেই তিনি নিজেকে মিঠুন চৌধুরী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সুধাংশু রায় ২০১৪ সালে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান আদিবাসী পরিষদ নামের একটি নামসর্বস্ব সংগঠন করে নিজেকে সভাপতি ঘোষণা দেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর শুধাংশু রায় ওরফে মিঠুন চৌধুরী ভারতের বিজেপির আদলে বাংলাদেশ জনতা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন।

তাঁর বাল্যবন্ধু রবীন্দ্র কুমার দাস,অমিতাভ দাস,বিদ্যুৎ দাস বলেন, সুধাংশু ম্পর্কে জামালগঞ্জের সাবারই জানা,সে একেক সময় একেক অবতার রুপে আবির্ভাব হয়,‘সুধাংশু আমরার প্রাথমিক ও হাইস্কুল জীবনের বন্ধু, তারে এই নামে আমরা চিনি। মিঠুন চৌধুরী নামে আমরা চিনি না। এসএসসির পর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছে কি না আমাদের জানা নেই। ’ তবে আমার জানা মতে সে একটা হোমল্যান্ড লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানী ও পরে প্রগতী লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানীতে বড় একটা পদে ছিল,পরে ঐ কোম্পানী তার নামে মামলা ও করেছে যা এখনও চলমান।

সুধাংশু রায়ের মা রেণুবালা রায় বলেন, ‘আমার ফুয়া সুধাংশু ফোনে আমার খবর নেয়। অসুখবিসুখ অইলে চিকিৎসা করায়। হে কিতা খরে আমি জানি না। ’

নাম পরিবর্তনের বিষয়ে মিঠুন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা কলসিন্ধুর জমিদার ছিলাম। আমরা জাতে চৌধুরী। মামার বাড়ি এলাকায় স্থায়ী হয়েছি বলে আমরা রায় উপাধি গ্রহণ করেছি। আমার বাবার প্রকৃত পরিচয় জানার পর আমি চৌধুরী উপাধি নিয়েছি। ’ এলাকা ছাড়ার পরই মিঠুন নামে তিনি পরিচিত বলে দাবি করেন। বিজেপি গঠনের আগে তিন মাস ভারতে অবস্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সেখানের অনেক মন্ত্রী-এমপির সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। তাঁরা আমাকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ’রাজনৈতিক দল ঘোষণার পর তাঁর সঙ্গে অনেক দলের নেতারা যোগাযোগ করছেন জানিয়ে মিঠুন চৌধুরী দাবি করে বলেন, ‘আমরা আগামী দিনে নির্বাচন করে সরকার গঠন করব।

রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৭

বিশ্বম্ভরপুরে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল হুজুর ফুঁ দিলেই (২২০০) টাকা

বিশ্বম্ভরপুরে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল হুজুর ফুঁ দিলেই (২২০০) টাকা

আজিজুল ইসলাম বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি:
আসুন ভাই ফুঁ নিন তার বিনিময়ে (২২০০) টাকা দিয়ে যান, কিন্তু কেন ফুঁ নেবেন কারণ আপনাকে যদি জ্বীন বা সয়তানে ধরে তাহলে ফুঁ নিতে পারেন, আপনার সাথে যদি কোন জ্বীন থাকে তাহলে অবশ্যই জ্বীন ছলে  যাবে, একেবারেই গ্যারান্টি। আরো সেবা হলো, কারো ঘরের মাঠির নিচে যদি কোন তাবিজ থাকে। তাহলে এই গুলো জ্বীনের মাধ্যমে উঠানো হয়, এমনটাই হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের, আনন্দ বাজার মসজিদের ইমাম সে দীর্ঘদিন যাবত ভন্ড কবিরাজী করে আসছে, ভন্ড কবিরাজ ইসমাইলের কান্ড গুলো। বহুদিন যাবত ভন্ড কবিরাজ করে আসছে। কিন্তু সরকারের কর ফাঁকি দিয়ে চলছেই ভন্ড কবিরাজী। সে সরকারি লাইসেন্স ছারাই বহুদিন যাবত মানুষকে বোকাঁ বানিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায় তার কাছে কেউ যদি বিপদে পরে কোন পরামর্শর জন্য যাওয়া হয়। ভন্ড কবিরাজ বলেন, আপনার রোগীর উপর জ্বীন ভর করছে, তখন মানুষ গুলো আতংক হয়ে পরেন, হুজুর এখন কি উপাই আপনি কি পারবেন, ভন্ড কবিরাজ বলেন আমিতোএই কাজ গুলো করিনা, আচ্ছা আপনি যেহেতু বলছেন তো আরকি করা আমি যাব তবে আমাকে (২২০০) টাকা দিতে হবে। কিন্তু আমার একটা শর্ত আছে কাউকে কিছু বলা যাবেনা। তার পর আমি যাব রাত (১০-১১) ঘঠিকার সময় আমি যাব রোগীর ঘরে যেন কোন মানুষ না থাকে। রোগীর ঘরে মানুষ না থাকার কারণ হল যদি কেউ তার ভন্ডামী ধরে ফেলে। পরে আর কোথাও কোন ভন্ডামী করতে পারবেনা। সরেজমিনে দেখাযায় একই উপজেলার সলুকাবাদ ইউপির আক্তাপাড়া গ্রামের মৃত আজিম উদ্দীনের বাড়িতে ভন্ড কবিরাজী করে গেছেন। তার বাস্তব প্রমাণ হলো আজিম উদ্দীনের স্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন সেখানে গিয়ে বলেন, রোগীর বিরাট সমস্যা রোগীকে জ্বীনে ধরেছে জ্বীন সরাতে হবে পরে রোগী ভাল হবে, এবং আমাকে (২২০০) টাকা দিতে হবে পরে সবাই রাজি হলে ভন্ড কবিরাজ ইসমাইল অনেক খুশি হয়েছেন রোজগার এর দরজা খোলে গেল। পরে ঐ ভন্ড কবিরাজ পানি পরা দিয়ে চলে যায় এবং বলেন জ্বীন সরানো আজকে সম্ভব না আগামীকাল তাবিজ উঠানো হবে। তখন রোগীর বাড়ির লোকজন এর কাছ থেকে অগ্রিম (১২০০) টাকা নিয়ে আসেন, পরের দিন এসে ভন্ডামী করে আরো (৮০০) টাকা নিয়ে চলে যান । কবিরাজ ইসমাইল জানান, আমি আক্তাপাড়া থেকে কোন টাকা নেয়নি আমাকে গাড়ি ভাড়া বাবত (৩০০) টাকা দিয়েছে কিন্তু রোগীর বাড়ির একজন নাম বলতে অনিচ্ছুক তিনি জানান সর্বমোট আমরা (২০০০) টাকা দিয়েছি