shantiganj লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
shantiganj লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

শান্তিগঞ্জের পূর্ব পাগলায় বিএনপির কর্মীসভা

শান্তিগঞ্জের পূর্ব পাগলায় বিএনপির কর্মীসভা

 


শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে কর্মী সভা করেছে ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ইউনিয়নের রনসী গ্রামে, বিএনপি নেতা আজাদ মিয়ার বাড়িতে এই কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইউনুছ আলী। যুবদল নেতা আবু জাফরের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক  চেয়ারম্যান ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ফারুক আহমদ।

 

কর্মী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির প্রথম যুগ্ম-আহবায়ক রওশন খান সাগর, সাবেক সহ-সভাপতি আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ইরান উদ্দিন, বিএনপি নেতা শাহ আলম ও উপজেলা সেচ্চাসেবক দলের সদস্য এহিয়া পারভেজ।

 

এসময় পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ফারুক মিয়া, আজাদ মিয়া,  শানুর আলী, আবুল হোসেন, মকবুল হোসেন, রুকন মিয়া, আবদুল খালেক, শাহ হোসেন, মিজাজুল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, তাজ উদ্দিন, মাস্টার হাসির উদ্দিন, আবদুর রউফ, মনির মিয়া, সালেহ আহমদ, সাবুল মিয়া, রাকিব মিয়া, উপজেলা ওলামা দল নেতা শাহিন মিয়া, জেলা প্রজন্মদলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শব্দেন নূর আহমদ সাগর, ছাত্রদল নেতা খসরু মিয়া, মারুফ হোসেন, নেছার আলম, শাহীন আহমদসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার
আজ ১২ সেপ্টেম্বর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভোগে ২০০৯ সালের এইদিনে তিনি সিলেটের নুরজাহান জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। শাহ আবদুল করিমের ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে উজান ধল গ্রামে তাঁর স্ত্রী’র কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম তাঁর গানে জীবন এবং মৃত্যু সম্পর্কে এভাবে বলেন, বাউল আব্দুল করিম বলে / জীবন লীলা সাঙ্গ হলে / শোয়ে থাকব মায়ের কোলে / তাপ-অনুতাপ ভুলে।
দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। বাউল সম্রাটের একমাত্র পুত্র শাহ নূর জালাল জানান, মঙ্গলবার বাদজোহর মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেলে বাউল সম্রাটের জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি থাকবেন দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌহিদুজ্জামান পাভেল। এছাড়া বাদ এশা থেকে ফজর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত করিমভক্তরা করিমগীতির আসর বসাবেন।
ভাটির জনপদ দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল আশ্রম গ্রামে ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শাহ আবদুল করিম জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ইব্রাহীম আলী ও মা নাইওরজান বিবি। জন্মের পর থেকে অভাবের মধ্যেই আবদুল করিম বেড়ে উঠেন। অভাবের কারণে শিক্ষা লাভের সুযোগ আসেনি তাঁর জীবনে। তাই গ্রামের মোড়লের বাড়িতে রাখালের চাকরি নেন। সারাদিন মাঠে গরু চড়াতেন আর গান গাইতেন। এ গানই রাখাল বালককে বাউল সম্রাটে পরিণত করেছে।
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে মওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বৃহত্তর সিলেটে গণসংযোগে আসতেন তখন তাদের সফরসঙ্গী হতেন বাউল আবদুল করিম। শাহ আবদুল করিম ৫৪’র নির্বাচন, ’৬৯-এর গণআন্দোলন, ৭১’এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি পর্যায়ে স্বরচিত গণসংগীত পরিবেশন করে জনতাকে দেশ মাতৃকার টানে উদ্বুদ্ধ করতেন। তাঁর গণসংগীতে মুগ্ধ হয়ে মাওলানা আব্দুল হামিদ থান ভাসানী তাঁর পিঠে হাত রেখে বলেছিলেন- বেটা, গানের একাগ্রতা ছাড়িও না, তুমি একদিন গণমানুষের শিল্পী হবে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গণসংগীত শুনে ১৮৫ টাকা দেন, শেখ মুজিব ১১ টাকা দিয়ে বলেন, তোমার মতো শিল্পীকে উপযুক্ত মর্যাদা দেয়া হবে।
শাহ আবদুল করিমের গানের বিভিন্ন বই প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় আফতাব সংগীত, ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয় গণসংগীত, ১৯৮১ সালে কালনীর ঢেউ, ১৯৯০ সালে ধলমেলা, ১৯৯৮ সালে ভাটির চিঠি, ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয় শাহ আব্দুল করিম রচনাসমগ্র।

সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

দ.সুনামগঞ্জে হাওর বাঁচাও, সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের কমিটি গঠন

দ.সুনামগঞ্জে হাওর বাঁচাও, সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের কমিটি গঠন


দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে হাওর বাঁচাও, সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস প্রাঙ্গণে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এলাকার প্রবীণ মুরুব্বী ও সমাজসেবক সৈয়দ সবুর আলীর সভাপতিত্বে ও হাওর বাঁচাও, সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন, সুনামগঞ্জ-এর সদস্য ওবায়দুল হক মিলন’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন হাওর বাঁচাও, সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন, সুনামগঞ্জ-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, 
সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর, সালেহীন চৌধুরী শুভ, ডুংরিয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মোনায়েম, সহকারি শিক্ষক মাওলানা নিজাম উদ্দিন, সাবেক প্রধান শিক্ষক রাধিকা রঞ্জন তালুকদার, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন, জিয়াউর রহমান, মহিম উদ্দিন, ত্বোহা মির্জা প্রমুখ।
সভায় হাওর বাঁচাও, সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন-এর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা শাখায় সৈয়দ সবুর আলীকে আহ্বায়ক ও রাধিকা রঞ্জন তালুকদার, ধীরেন্দ্র পাল, জিয়াউর রহমান ও ওবায়দুর রহমান মিলনকে সদস্য সচিব করে মোট ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।