সেলিম আহম্মেদ স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের দোয়রাবাজার উপজেলায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে বিএনপি নেতাসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০জন। শনিবার সকাল বেলা ১২টার চৌমুনা পয়েন্টে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার গোরেশপুর গ্রামের বিএনপি নেতা শেরুজ্জামান ও বেরী গ্রামের মাসুক মিয়ার পক্ষের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। নিহত সেরুজ্জামান দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি গোরেশপুর গ্রামের মৃত উমর আলীর ছেলে। অপর নিহত এবাদুল্লাহ বেরীগাঁও গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের গোরেশপুর ও বেরীগাঁও গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে উত্তজনা চলছিল। গত রমজানে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গোরেশপুর গ্রামের ছয়ফুল ইসলাম নামের একজনের দাঁত ভাঙে বেরীগাঁও গ্রামের একদল যুবক। প্রতিশোধ স্বরূপ বেরীগাঁও গ্রামের কাওসার নামের এক যুবককে কুপিয়ে আহত করেন গোরেশপুরের লোকজন। এইসব ঘটনার জের ধরে শনিবার বেলা ১২টার দিকে চৌমুনা পয়েন্টে বিএনপি নেতা সেরুজ্জামানকে রামদা দিয়ে কুপায় বেরীগাঁও গ্রামের একদল যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর খবর গ্রামের আসার পর সেরুজ্জামানের উত্তেজিত সমর্থকরা বেরীগাঁওয়ের লোকজনদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে এবাদুল্লাহ ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন আরও ২০ জন। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ছাতক সার্কেলের এ এস পি দোলন মিয়া বলেন, পুর্ব বিরোধের জের ধরে এঘটনা ঘটেছেু। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুই জন মারা যায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ছাতক সার্কেল দোলন মিয়া জানান, উত্তেজনা থামাতে ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জের দোয়রাবাজার উপজেলায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে বিএনপি নেতাসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০জন। শনিবার সকাল বেলা ১২টার চৌমুনা পয়েন্টে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার গোরেশপুর গ্রামের বিএনপি নেতা শেরুজ্জামান ও বেরী গ্রামের মাসুক মিয়ার পক্ষের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। নিহত সেরুজ্জামান দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি গোরেশপুর গ্রামের মৃত উমর আলীর ছেলে। অপর নিহত এবাদুল্লাহ বেরীগাঁও গ্রামের মৃত ফয়জুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের গোরেশপুর ও বেরীগাঁও গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে উত্তজনা চলছিল। গত রমজানে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গোরেশপুর গ্রামের ছয়ফুল ইসলাম নামের একজনের দাঁত ভাঙে বেরীগাঁও গ্রামের একদল যুবক। প্রতিশোধ স্বরূপ বেরীগাঁও গ্রামের কাওসার নামের এক যুবককে কুপিয়ে আহত করেন গোরেশপুরের লোকজন। এইসব ঘটনার জের ধরে শনিবার বেলা ১২টার দিকে চৌমুনা পয়েন্টে বিএনপি নেতা সেরুজ্জামানকে রামদা দিয়ে কুপায় বেরীগাঁও গ্রামের একদল যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর খবর গ্রামের আসার পর সেরুজ্জামানের উত্তেজিত সমর্থকরা বেরীগাঁওয়ের লোকজনদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে এবাদুল্লাহ ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন আরও ২০ জন। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ছাতক সার্কেলের এ এস পি দোলন মিয়া বলেন, পুর্ব বিরোধের জের ধরে এঘটনা ঘটেছেু। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় দুই জন মারা যায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ছাতক সার্কেল দোলন মিয়া জানান, উত্তেজনা থামাতে ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
খবর বিভাগঃ
dowarabazar
Nationwide


0 Comments: