International লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
International লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

ইসরায়েলি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব 'অধ্যয়ন' করছে হামাস, 'লাল রেখা' নিরস্ত্রীকরণের দাবি

ইসরায়েলি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব 'অধ্যয়ন' করছে হামাস, 'লাল রেখা' নিরস্ত্রীকরণের দাবি


 গাজায় নতুন করে যুদ্ধবিরতি এবং যুদ্ধবিরতি বন্ধের জন্য আলোচনা অচলাবস্থার মুখে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে, ইসরায়েল তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবে হামাসকে নিরস্ত্র করার জন্য নতুন দাবি জানিয়েছে, যেখানে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে মৃতের সংখ্যা দ্রুত কমপক্ষে ৫১,০০০ এর কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।


সোমবার ইসরায়েল মিশরীয় এবং কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাদের সর্বশেষ প্রস্তাব জারি করেছে, যেখানে গাজায় আটক ১১ জন ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার বিনিময়ে ৪৫ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে যে তারা সর্বশেষ ইসরায়েলি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে এবং "যত তাড়াতাড়ি সম্ভব" সাড়া দেবে।


হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশের আগে আল জাজিরাকে বলেছিলেন যে হামাস নিরস্ত্র করার কোনও দাবি মেনে নেবে না, তিনি বলেছিলেন যে "যতক্ষণ দখলদারিত্ব থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে"।


"হামাসকে নিরস্ত্র করার অনুরোধ শুনতেও গ্রহণযোগ্য নয়। এটি কেবল একটি লাল রেখা নয়, এটি লক্ষ লক্ষ লাল রেখা," আবু জুহরি বলেন। “সকলেরই বোঝা উচিত যে এটি একটি স্বপ্ন – দিবাস্বপ্ন। এটি অর্জন করা সম্ভব নয়।”


হামাস জোর দিয়ে বলেছে যে ইসরায়েল যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবং গাজা থেকে তার বাহিনী প্রত্যাহার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিনিময়ে, তারা "এক দলে" অবশিষ্ট সমস্ত বন্দীকে হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়েছে।


আল জাজিরার সংবাদদাতা নুর ওদেহ বলেছেন যে ইসরায়েল গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বহিষ্কারের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে প্রকাশ করার পর হামাসের নিরস্ত্রীকরণের দাবি সম্ভবত অপ্রাসঙ্গিক ছিল।

গাজায় ইসরায়েলের ১৭ জন নিহত, নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে হামাস

গাজায় ইসরায়েলের ১৭ জন নিহত, নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে হামাস

 




হামাস ইসরায়েলের নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে এবং "যত তাড়াতাড়ি সম্ভব" সাড়া দেবে কারণ আন্দোলনের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি আল জাজিরাকে বলেছেন যে "হামাসকে নিরস্ত্র করার অনুরোধ শোনার জন্যও গ্রহণযোগ্য নয়"।


গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গত ২৪ ঘন্টায় গাজা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৬৯ জন আহত হয়েছে।


মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে কমপক্ষে ৫১,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,১৬,৩৪৩ জন আহত হয়েছে।


সরকারি মিডিয়া অফিস তাদের মৃতের সংখ্যা আপডেট করে ৬১,৭০০-এরও বেশি বলে জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলায় ইসরায়েলে কমপক্ষে ১,১৩৯ জন নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশিকে বন্দী করা হয়েছিল।


তথ্যসূত্র:  aljazeera

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

লন্ডন হামলায় সন্দেহভাজন তরুণ গ্রেপ্তার

লন্ডন হামলায় সন্দেহভাজন তরুণ গ্রেপ্তার

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে পাতাল রেলে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আজ শনিবার সন্দেহভাজন এক তরুণকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কেন্ট পুলিশ ডোভারের বন্দর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তবে তাঁর নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, লন্ডন মহানগর পুলিশের উপসহকারী কমিশনার নেইল বাসু এই গ্রেপ্তারকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বলে মন্তব্য করেছেন। তবে আরও হামলার আশঙ্কায় দেশটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি আছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি বিশেষ বিশেষ স্থানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। যানবাহনসহ লন্ডনের রাস্তায় বাড়ানো হয়েছে সশস্ত্র পুলিশের টহল।
নিরাপত্তা সতর্কতা জারির এ ব্যবস্থা ২০০৬ সালে জনসমক্ষে প্রকাশ শুরু হয়। সেই থেকে এবার চতুর্থবারের মতো সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হলো। সর্বশেষ গত মে মাসে ম্যানচেস্টারে মার্কিন পপ তারকা আরিয়ানা গ্রান্ডের সংগীতানুষ্ঠানে বোমা হামলার পর সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়। সাধারণত তিন থেকে চার দিনের জন্য স্থায়ী হয় এমন সতর্কতা।
শুক্রবার সকালে লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের ফুলহাম এলাকার পারসনস গ্রিন স্টেশনে ‘ডিসট্রিক্ট লাইট’ রেলের একটি কামরায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৯ জন আহত হয়। চলতি বছর এটি লন্ডনে পঞ্চম সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা। তবে এটি প্রথম কোনো হামলা যাতে কেউ নিহত হয়নি।
পুলিশ বলছে, হামলায় ‘ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস’ (আইডি) ব্যবহার করা হয়েছে। এতে টাইমারও সেট করা ছিল। সম্ভবত তৈরির প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে বোমাটি সন্ত্রাসীদের পরিকল্পনামাফিক বিস্ফোরিত হয়নি। ফলে রক্ষা পেয়েছে বহু প্রাণ।
বিবিসি জানায়, হামলাকারী ধরতে লন্ডনের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ে নিয়োজিত হয়েছে শত শত পুলিশ। পুলিশের ধারণা, এ হামলায় একাধিক সন্ত্রাসী জড়িত থাকতে পারে। কে বোমা বহন করল, কীভাবে-কোথায় এটি তৈরি হলো এবং কারা এদের উদ্বুদ্ধ করল—এসব প্রশ্নের সমাধানে চলছে তদন্ত।
জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে লন্ডন মহানগর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মার্ক রাওলি বলেন, হামলাকারীর সঙ্গে আগাম কোনো যোগাযোগ থাক বা না থাক, যেকোনো হামলার দায় স্বীকার করা আইএসের জন্য নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক লক্ষ্য পূরণ করবেন কিম!

যেকোনো মূল্যে পারমাণবিক লক্ষ্য পূরণ করবেন কিম!

যেকোনো মূল্যে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক লক্ষ্য পূরণ করবেন দেশটির নেতা কিম জং-উন। উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএর বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পারমাণবিক লক্ষ্য পূরণে নিজের প্রতিশ্রুতির কথা দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন তিনি।
কিম জং-উনের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির ‘ভারসাম্য’ প্রতিষ্ঠা করা।
পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে জাপানকে ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পরদিন গতকাল শুক্রবার দেশটির ওপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় উত্তর কোরিয়া। ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পড়ে। আর এর পরেই এমন মন্তব্য এল কিম জং-উনের কাছ থেকে।
কেসিএনএকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিম জং-উন বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের পরও কীভাবে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক মিশন শেষ করে, তা আমেরিকাকে দেখিয়ে দিতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, উত্তর কোরিয়ার লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নিজেদের সামরিক বাহিনীর ভারসাম্য আনা, যাতে মার্কিন শাসকেরা বিকল্প হিসেবে সামরিক বাহিনী নিয়ে কথা বলার সাহস না করেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, গতকাল জাপানের উদ্দেশ্যে ছোড়া উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩ হাজার ৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। সর্বোচ্চ ৭৭০ কিলোমিটার ওপর দিয়ে গেছে ক্ষেপণাস্ত্রটি। রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ উত্তর কোরিয়ার নেতা স্বয়ং পর্যবেক্ষণ করেন।
জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে একের পর এক পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে কিম জং-উন প্রশাসন। এতে ব্যাপক চটেছে আমেরিকা। এমনকি এ ক্ষেত্রে পিয়ংইয়ংয়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী বেইজিং তাদের সমর্থন দেয়নি। তবু থামছেন না কিম।
মিয়ানমারকে অস্ত্র দেয় কারা?

মিয়ানমারকে অস্ত্র দেয় কারা?

১৯৪৮ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে মিয়ানমার। সে সময় থেকেই দেশটির রাজনীতি ও বৈদেশিক নীতিতে প্রভাব খাটিয়েছে সেনাবাহিনী।
অর্ধশতকেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার শাসন করেছে সেনাবাহিনী। ১৯৯০ সালের শুরু থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা জারি করে।
২০১২ সালে মিয়ানমার তথাকথিত গণতন্ত্রের পথে আসে। সে সময় এসব অবরোধ কিছুটা শিথিল হয়। যদিও এখনো দেশটিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা কার্যকর।
১৯৯০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আল-জাজিরার এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কেনে রাশিয়া ও চীনের কাছ থেকে। এ ছাড়া ভারত, ইসরায়েল, ইউক্রেনও মিয়ানমারের বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।
১৯৯০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মিয়ানমার সেনাবাহিনী সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিমান কিনেছে চীনের কাছ থেকে। চীন থেকে ১২০টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার। রাশিয়া থেকে ৬৪, পোল্যান্ড থেকে ৩৫টি, জার্মানি থেকে ২০টি, সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে ১২টি, ভারত থেকে ৯টি, সুইজারল্যান্ড থেকে ৩টি ও ডেনমার্ক থেকে ১টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।
এই সময় পর্যন্ত মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হলো রাশিয়া। রাশিয়া থেকে মিয়ানমার কিনেছে ২ হাজার ৯৭১টি ক্ষেপণাস্ত্র। এরপরেই রয়েছে চীন। চীনের কাছ থেকে কিনেছে ১ হাজার ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র। বেলারুশ থেকে ১০২টি, বুলগেরিয়া থেকে ১০০টি ও ইউক্রেন থেকে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে মিয়ানমার।
২৬ বছরে নৌজাহাজ কিছুটা কম কিনেছে মিয়ানমার। ২১টি নৌজাহাজ কিনেছে চীন থেকে। সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে তিনটি ও ভারত থেকে কিনেছে তিনটি নৌজাহাজ।
সাঁজোয়া যানও চীন থেকে সবচেয়ে বেশি কিনেছে মিয়ানমার। ৬৯৬টি সাঁজোয়া যান কিনেছে চীন থেকে। ইসরায়েল থেকে ১২০টি, ইউক্রেন থেকে ৫০টি ও ভারত থেকে কিনেছে ২০টি সাঁজোয়া যান।
এই সময়ে মিয়ানমার সবচেয়ে বেশি কামান (আর্টিলারি) কিনেছে চীনের কাছ থেকে। চীন থেকে কিনেছে ১২৫টি কামান। এরপর সার্বিয়া থেকে ১২০টি, রাশিয়া থেকে ১০০টি, ইসরায়েল থেকে ২১টি, উত্তর কোরিয়া থেকে ১৬টি ও ভারত থেকে ১০টি কামান কিনেছে।